Share this link via
Personality Websites!
৩. ইরশাদ করেন: যে ব্যক্তি কোনো মুসলমানের ভুল ক্ষমা করবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ পাক তার ভুল ক্ষমা করে দিবেন। (ইবনে মাজাহ, ৩/৩৬, হাদীস: ২১৯৯)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আপনারা শুনলেন যে, মানুষকে ক্ষমা করা কত চমৎকার আমল, যার বরকত দুনিয়াতে তো নসিব হয়ই, আখিরাতেও اِنْ شَآءَ الله এর বরকতে জান্নাতের সুসংবাদ দ্বারা ধন্য করা হবে। কতই না সৌভাগ্যবান সেই সকল মুসলমান, যারা ক্ষমতা ও সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও মানুষের ভুলগুলোকে নিজের নফসের জেদের বিষয় বানায় না বরং ক্ষমা করে সাওয়াবের ভাণ্ডার অর্জন করে। কিন্তু আফসোস! আজ যদি কেউ আমাদের সামান্য কষ্টও দেয় বা সামান্য অভদ্রতা প্রদর্শন করে তবে আমরা ক্ষমা ও ধৈর্যের আঁচল হাত থেকে ছেড়ে দেই, তার শত্রু হয়ে যাই এবং বিভিন্ন উপায়ে তার থেকে প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করি। অথচ আমরা যদি রাসূলে পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর পবিত্র জীবনী অধ্যয়ন করি তবে আমাদের কাছে দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم মন্দের বদলা মন্দ দিয়ে দিতেন না বরং ক্ষমা করে দিতেন।
শানে মুস্তফা
উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা সিদ্দিকা رَضِیَ اللهُ عَنْہَا বলেন: রাসূলুল্লাহ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم অভ্যাসবশত মন্দ কথা বলতেন না এবং কৃত্রিমভাবেও না, বাজারে শোরগোলকারী ছিলেন না এবং মন্দের বদলা মন্দ দিয়ে দিতেন না, বরং হুযুর ক্ষমা করতেন ও মার্জনা করে দিতেন। (তিরমিযী, ৩/৪০৯, হাদীস: ২০৩৩)
যার চমৎকার উদাহরণ হলো মক্কা বিজয়ের ঘটনা, মক্কা বিজয়ের আগে যেসব দুশ্চরিত্র কাফিরদের পক্ষ থেকে রাসূলুল্লাহ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এবং সাহাবায়ে কিরাম عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان এর জন্য ভূমিকে সংকীর্ণ করে দেওয়া হয়েছিল, বিভিন্ন ধরণের যন্ত্রণাদায়ক কষ্ট
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami