Share this link via
Personality Websites!
সাওয়াব অর্জন করার সৌভাগ্য দান করেন। মনে রাখবেন! রাগকে সংবরণ করা এবং মানুষকে ক্ষমা করা এমন এক শ্রেষ্ঠ আমল যে, যে সৌভাগ্যবান মুসলমান এটি পালন করবে, সে আল্লাহ পাকের প্রিয় বান্দাদের মধ্যে গণ্য হবে। যেমনটি
পারা ৪, সূরা আলে ইমরানের ১৩৪ নম্বর আয়াতে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন:
وَ الْكٰظِمِیْنَ الْغَیْظَ وَ الْعَافِیْنَ عَنِ النَّاسِؕ-وَ اللّٰهُ یُحِبُّ الْمُحْسِنِیْنَۚ(۱۳۴)
(পারা: ৪, আলে ইমরান: ১৩৪)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: আর ক্রোধ সংবরণকারীরা, মানুষের প্রতি ক্ষমা প্রদর্শনকারীরা এবং সৎ ব্যক্তিবর্গ আল্লাহর প্রিয়।
একইভাবে পারা ১৮, সূরা নূরের ২২ নম্বর আয়াতে ইরশাদ হয়েছে:
وَ لْیَعْفُوْا وَ لْیَصْفَحُوْاؕ-اَلَا تُحِبُّوْنَ اَنْ یَّغْفِرَ اللّٰهُ لَكُمْؕ-وَ اللّٰهُ غَفُوْرٌ رَّحِیْمٌ(۲۲)
(পারা: ১৮, আন-নূর: ২২)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: আর তাদের উচিত যেন ক্ষমা করে দেয় এবং দোষ-ত্রুটি উপেক্ষা করে। তোমরা কি এ কথা পছন্দ করো না যে, আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন? এবং আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! জানা গেল যে, মানুষের ভুলত্রুটি মার্জনা করা আল্লাহ পাকের অত্যন্ত পছন্দনীয়। মনে রাখবেন! শয়তান মানুষের আদি শত্রু, সে কখনো চায় না যে, মুসলমানরা পরস্পর ঐক্যবদ্ধ থাকুক, একে অপরের মঙ্গল কামনা করুক, একে অপরের সম্মান ও সম্ভ্রমের রক্ষক হোক, একে অপরের ভুল উপেক্ষা করুক, নিজেদের মধ্যে সহনশীলতা তৈরি করুক, নিজেদের অধিকার ক্ষমা করে দিক, অন্যের অধিকারের প্রতি লক্ষ্য রাখুক এবং একে অপরের সাহায্য করুক ইত্যাদি। কারণ যদি এমন হয় তবে সমাজ শান্তির নীড় হয়ে যাবে এবং শয়তান
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami