Book Name:Muaaf Karne Ke Fazail
হয়, সুতরাং ছোটখাটো বিষয়ে রাগ করা ভালো নয়। মানলাম যে, অমুক ব্যক্তি আমাদের মনে অনেক কষ্ট দিয়েছে কিন্তু মনে রাখবেন! যদি আমরা প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তাকে ক্ষমা করে দেই, তবে আল্লাহ পাকও আমাদের ক্ষমা করে দিবেন।
আসুন! অনুপ্রেরণার জন্য একটি ঈমান উদ্দীপক ঘটনা শুনুন এবং নিজের ভেতর থেকে নাজায়িয রাগের অভ্যাস দূর করে আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি অর্জন করুন।যেমনটি
লবণ বেশি হয়ে গিয়েছিল
এক ব্যক্তির স্ত্রী খাবারে লবণ বেশি দিয়ে দিয়েছিল। তার অনেক রাগ হলো কিন্তু এটি ভেবে সে রাগকে সংবরণ করল যে, আমিও তো ভুল করতে থাকি। যদি আজ আমি স্ত্রীর ভুলের জন্য কঠোরতা করি তবে যেন এমন না হয় যে, কাল কিয়ামতের দিন আল্লাহ পাকও আমার ভুলগুলোর জন্য পাকড়াও করেন। ফলে সে মনে মনে নিজের স্ত্রীর ভুল ক্ষমা করে দিল। ইন্তেকালের পর তাকে কেউ স্বপ্নে দেখে জিজ্ঞাসা করল: আল্লাহ পাক আপনার সাথে কীরূপ আচরণ করেছেন? সে উত্তর দিল: গুনাহের আধিক্যের কারণে আযাব হতেই যাচ্ছিল যে, আল্লাহ পাক ইরশাদ করলেন: আমার বান্দী তরকারিতে লবণ বেশি দিয়ে দিয়েছিল আর তুমি তার ভুল ক্ষমা করেছিলে, যাও আমি আজ তার বিনিময়ে তোমাকে ক্ষমা করলাম। (রাগের চিকিৎসা, পৃ: ১৮)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
তৃতীয় বাধা: দ্বীনি ইলম এবং উত্তম সাহচর্য থেকে দূরত্ব
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! ক্ষমা করার পথে আরো একটি বাধা হলো দ্বীনি ইলম এবং উত্তম সাহচার্য থেকে দূরে থাকা। যে বান্দা দ্বীনি ইলমের সম্পদ এবং উত্তম সাহচর্যের বরকত থেকে বঞ্চিত হয়, সাধারণত এমন ব্যক্তিকে ক্ষমা করার সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত