Book Name:Fazael O Osaf-e-Siddiq e Akbar رَضِىَ اللهُ عَـنْهُ
একটি সবুজ বাগান, তাতে একটি সুন্দর আসন রাখা আছে এবং আমার সেই গুনাহগার প্রতিবেশী সেই আসনের উপর বসে আছে। আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম: তুমি এই মর্যাদা কিভাবে পেলে...? সে বলল: আমি প্রত্যেক নামাযের পর এইভাবে দোয়া করতাম:
اَللّٰہُمَّ ارْضِ عَنْ اَبِیْ بَکْرٍ وَ عُمَرَ وَ عُثْمَانَ وَ عَلِیٍّ وَ ارْحَمْنِیْ بِحُبِّہِم
অনুবাদ: হে আল্লাহ পাক! আবু বকর, উমর, উসমান এবং আলীর প্রতি সন্তুষ্ট হও এবং তাঁদের ভালোবাসার সদকায় আমার প্রতি দয়া করো।
ব্যস এই দোয়ার বরকতে আল্লাহ পাক আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং এমন নেয়ামত দ্বারা ধন্য করেছেন।
(হিকায়াত ও কিসাস মিন হায়াতিস সাবিকিন, পৃষ্ঠা: ১৯৯)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! নিঃসন্দেহে সত্য যে: رَحْمَتِ حَقْ بَھَا نَمِی جَوْیَد، رَحْمَتِ حَقْ بَھَانَہ مِی جَوْیَد অর্থাৎ আল্লাহ পাকের রহমত আমলের আধিক্য দেখে না, রহমত তো শুধু একটি বাহানা খোঁজে। কখনো কখনো একটি ছোট আমলও বড় থেকে বড় গুনাহগারের ক্ষমার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর সেই ভাগ্যবান ব্যক্তির কথা কী বলব! যদিও সে গুনাহগার ছিল, কিন্তু নবীর চার সাথীকে (হযরত আবূ বকর, উমর, উসমান ও আলী رَضِیَ اللهُ عَنْہُمْ) ভালোবাসতো। প্রত্যেক নামাযের পর তাঁদের জন্য দোয়া করত। তার এই আমলই আল্লাহ পাকের দরবারে কবুল হলো এবং তার ক্ষমার মাধ্যম হয়ে গেল।
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! সংক্ষিপ্ত (Short) একটি দোয়া। আমরাও এই দোয়াটি মুখস্থ করে নিই। আরবীতে সম্ভব না হলে আমাদের মাতৃভাষাতেই প্রত্যেক নামাযের পর এই দোয়াটি করি: اَللّٰہُمَّ ارْضِ عَنْ اَبِیْ بَکْرٍ وَ عُمَرَ وَ عُثْمَانَ وَ عَلَیٍ وَ ارْحَمْنِیْ بِحُبِّہِم। কে জানে! আমাদের উপরও