Share this link via
Personality Websites!
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! নম্রতার গুরুত্ব কতটুকু তার অনুমান এই বিষয় দ্বারা করুন যে, যখন আল্লাহ পাক হযরত মূসা عَلَیْہِ السَّلَام কে ফেরআউনের নিকট প্রেরণ করেন যে, তাকে ঈমানের দাওয়াত দিন তখন আল্লাহ পাক তার সাথে নম্রতার সহিত কথা বলার আদেশ দিয়েছেন। যেমনটি ১৬তম পারার সূরা ত্ব’হার ৪৪ নং আয়াতে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন:
فَقُوْلَا لَهٗ قَوْلًا لَّیِّنًا لَّعَلَّهٗ یَتَذَكَّرُ اَوْ یَخْشٰى(۴۴)
(পারা ১৬, সূরা ত্ব’হা, আয়াত ৪৪)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: অতঃপর তার সাথে নম্র কথা বলবে, এ আশায় যে, সে মনোযোগ দেবে অথবা কিছুটা ভয় করবে।
বর্ণনাকৃত আয়াতে মুবারাকার আলোকে তাফসীরে খাযিনে লিখা রয়েছে: অর্থাৎ যখন তুমি ফেরআউনের নিকট যাবে তখন তাকে নম্রভাবে উপদেশ দেবে। কিছু মুফাসসীরগণের (رَحِمَہُمُ اللهُ السَّلَام ) মতে ফেরআউনের সাথে নম্র হওয়ার আদেশ এই জন্যই ছিলো যে, সে শিশুকালে হযরত মূসা عَلَیْہِ السَّلَام এর খেদমত করেছিলো এবং কিছু মুফাসসিরগণ (رَحِمَہُمُ اللهُ السَّلَام ) বলেন: নম্রতা দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, তুমি তার সাথে ওয়াদা করো যে, যদি সে ঈমান আনয়ন করে তবে সারা জীবন যুবক থাকবে, কখনোই বৃদ্ধ হবে না, মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত বাদশাহ থাকবে, খাবার দাবার ও বিবাহের স্বাদ মৃত্যু পর্যন্ত অবশিষ্ট থাকবে এবং মৃত্যুর পর জান্নাতে প্রবেশাধিকার নসীব হবে। যখন হযরত মূসা عَلَیْہِ السَّلَام ফেরআউনের সাথে এই ওয়াদা করলেন তখন তার এই বিষয়টি খুবই পছন্দ হলো কিন্তু সে কোন কাজে (তার উজির) হামানের সাথে পরামর্শ করা ছাড়া সিদ্ধান্ত নিতো না এবং তখন হামান উপস্থিত ছিলো না (তাই সে তখন সিদ্ধান্ত নিলো না) যখন সে এলো তখন ফেরআউন তাকে এই সংবাদ দিলো এবং বললো: মন চাচ্ছে যে, হযরত মূসা عَلَیْہِ السَّلَام এর নির্দেশনায় ঈমান কবুল করে নিতে।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami