Share this link via
Personality Websites!
নিয়ে আলাদা থাকতে শুরু করলো। তার কাছে যদিও দুনিয়াবী সম্পদ ছিলো না কিন্তু তার নিকট অমূল্য রত্ন বিদ্যমান ছিলো।
সে প্রতিদিন খুবই ভক্তি সহকারে চুল মুবারকের যিয়ারত করতো আর অধিকহারে দরুদ শরীফ পাঠ করতো। একসময় ছোট ছেলেটি একটা ছোটখাটো ব্যবসা শুরু করলো। চুল মুবারকের প্রথম বরকত হিসেবে তার সম্পদ দিনের পর দিন বৃদ্ধি পেতে থাকলো। অন্যদিকে বড় ছেলে চুল মুবারকের বিনিময়ে যে সম্পদ গ্রহণ করেছিলো তা কমতে শুরু করলো। এইভাবে সময় অতিবাহিত হতে লাগলো। একপর্যায়ে ঐ আশিকে রাসূল صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم, যে চুল মুবারকের খাতিরে দুনিয়ার দৌলতকে অবহেলা করেছিলো অর্থাৎ ব্যবসায়ীর ছোট ছেলে দুনিয়া থেকে বিদায় নিলো।
তাঁর ইন্তিকালের পর ঐ যুগের এক বুযুর্গ স্বপ্নে নবীয়ে করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর দিদার লাভ করলেন। রাসূলে করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم তাঁকে ইরশাদ করলেন, "লোকদের বলো, কারো কোন কিছুর প্রয়োজন হলে তবে সে যেন ঐ ব্যবসায়ী ছোট ছেলের কবরে যায় আর প্রয়োজন পূরণের জন্য দোয়া করে। তার প্রয়োজন পূরণ করা হবে। "
এভাবে ঐ মহান আশিকে রাসূলের মাযার বড় মহত্বপূর্ণ হয়ে গেলো। লোকেরা দলে দলে সেখানে আসা যাওয়া শুরু করলো এবং নিজেদের উদ্দেশ্য পূরণ করতে লাগলো।
ঐ মহান আশিকে রাসূলের চুল মুবারকের প্রতি আদব প্রদর্শনের এই ফলাফল হলো যে, বড় বড় লোকেরা তার মাযারের পাশ দিয়ে অতিত্রুম করার সময় তাদের বাহন থেকে নেমে যেতো এবং আদব রক্ষা করে মাযারে পাকের পাশ দিয়ে পায়ে হেঁটে স্থানটি অতিক্রম করতো।
(যিকরে জামীল, ৭৭-৭৮ পৃষ্ঠা)
سُبْحٰنَ الله! প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা, আপনারা শুনলেন যে আমাদের আক্বা ও মাওলা প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর চুল মুবারকেরও কেমন শান! হে আল্লাহ পাক,
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami