Share this link via
Personality Websites!
সাহাবায়ে কেরামগণ رَضِیَ اللهُ عَنْہُمْ হলেন ঈমানের মানদণ্ড
হে আশিকানে রাসূল, চিন্তা করে দেখুন। তাঁরা হলেন ঐ সাহাবায়ে কেরাম رَضِیَ اللهُ عَنْہُمْ যাঁদেরকে কুরআনে মজিদ ঈমানের মানদণ্ড বলে আখ্যায়িত করেছে।
ইরশাদ হচ্ছে,
فَاِنۡ اٰمَنُوۡا بِمِثۡلِ مَاۤ اٰمَنۡتُمۡ بِہٖ فَقَدِ اہۡتَدَوۡا ۚ
(পারা ১, সূরা বাকারা, আয়াত ১৩৭) কানযুল ঈমান থেকে অনুবাদ: অতঃপর তারাও যদি এভাবে ঈমান আনতো, যেমন তোমরা এনেছো, তবেই তো তারা হিদায়াত পেয়ে যেত।
প্রতীয়মান হলো; সাহাবায়ে কেরামদের رَضِیَ اللهُ عَنْہُمْ ঈমানের ধরন আমাদের জন্য পথনির্দেশ, যেমন সাহাবায়ে কেরামগণ رَضِیَ اللهُ عَنْہُمْ ছিলেন, আমরাও যদি সেরকম ঈমান আনয়ন করি, তবে হিদায়াত পাবো।
ভালোবাসা দলিলের মুখাপেক্ষী নয়,
তবে শরীয়ত অনুযায়ী হতে হবে
এখন একটু হযরত আবু আইয়ুব আনসারী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর আমল মুবারক দেখুন। তিনি একবার চুল মুবারককে মাটিতে পড়তে দেখে তৎক্ষণাৎ লাফিয়ে পড়ে তা হাতে নিয়ে নেন। এটা এই বিষয়ে দলিল যে, ভালোবাসা দলিলের মুখাপেক্ষী নয়। তবে হ্যাঁ, শরীয়তের অনুসরণ প্রয়োজন। দেখুন, চুল মুকাদ্দস (অর্থাৎ চুল মুবারক) মাটিতে পড়ে যাওয়া থেকে বাঁচানো কোন আয়াত বা হাদীসের হুকুম নয়। হযরত আবু আইয়ুব আনসারী رَضِیَ اللهُ عَنْہُ নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর সামনে এই আমলটি করেছেন, রাসূলে করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم সেটাকে নিষেধ করেননি বরং কল্যাণের দোয়া করেছেন। অন্যদিকে সাহাবায়ে কেরাম رَضِیَ اللهُ عَنْہُمْ যখন নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে সিজদা করার অনুমতি চাইলেন তখন তিনি সেটাকে নিষেধ করেছেন। (শরহুয যুরক্বানী আলাল মাওয়াহিব, খণ্ড: ৬, পৃষ্ঠা: ৫৪০)
এ থেকে বোঝা গেলো, প্রতিটি ঐ আমল যা ইশকে রাসূলের বর্হিপ্রকাশ করে এবং শরীয়তের সীমারেখার বাইরে না যায়- তা জায়িয ও ভালো বরং রাসূলে করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর সন্তুষ্টির উপায়।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami