Share this link via
Personality Websites!
দা’ওয়াতে ইসলামীর দ্বীনি পরিবেশের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে যান এবং সাব-ইউনিটের ১২টি দ্বীনি কাজে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করুন। اِنْ شَآءَ الله এর বরকতে নিয়মিত নামায পড়ার, নেকীর কাজ করার, এবং গুনাহ থেকে বিরত থাকার মানসিকতা তৈরি হবে।
বর্ণিত আছে, এক ব্যক্তি জ্বরে আক্রান্ত হলো, তার সম্মানিত ওস্তাদ, শায়খ ফকীহ ওয়ালী উমর বিন সাঈদ رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ তাকে দেখতে গেলেন, ফেরার সময় একটি তাবীয দিয়ে বললেন: এটা খুলে দেখবে না। তিনি যাওয়ার পর সে তাবীয বেঁধে নিলো। তৎক্ষণাৎ জ্বর চলে গেলো। সে ধৈর্য ধরে থাকতে পারলো না, খোলামাত্রই তাতে দেখলো بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ লেখা ছিলো। অন্তরে কুমন্ত্রণা এলো এটা তো যে কেউ লিখতে পারে! বিশ্বাসে ঘাটতি আসতেই তৎক্ষণাৎ আবার জ্বর এসে গেলো। আতঙ্কিত হয়ে হযরতের কাছে উপস্থিত হয়ে ভুলের জন্য ক্ষমা চাইলো। শায়খ আবার তাবীয লিখে নিজে হাতে বেঁধে দিলেন- তৎক্ষণাৎ জ্বর চলে গেলো। এবার দেখতে নিষেধ করলেন না, কিন্তু সে ভয়ে খুলে দেখে নি। অবশেষে সে এক বছর পরে যখন তা খুলে দেখলো তখনও তাতে ঐরূপ بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ লেখা ছিলো। (ফয়যানে সুন্নাত, পৃষ্ঠা ৬৩)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! সত্যিই بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ এর অনেক বরকত রয়েছে আর এতে রোগের চিকিৎসাও রয়েছে। এ ঘটনা থেকে শিক্ষা পাওয়া হলো, বুযুর্গানে দ্বীন যদি কোনো মুবাহ বা বৈধ বিষয়ে নিষেধ করেন, তবে তা বোঝা না গেলেও তা থেকে বিরত থাকা উচিত। আরো জানা গেলো, তাবীয খুলে দেখা উচিৎ নয়, এতে বিশ্বাসে ফাটল ধরার আশঙ্কা থাকে। এছাড়া ভাঁজ করার বিশেষ পদ্ধতি সহ এটা মোড়ানোর ক্ষেত্রে অনেক সময় কিছু পড়াও হয়। অতএব খুলে দেখলে এর উপকারীতা কমে যেতে পারে।
কায়সারে রুম (রোমান সম্রাজ্যের অধিপতি) মুসলমানদের দ্বিতীয় খলিফা আমীরুল মুমিনীন হযরত সায়্যিদুনা উমর ফারুক رَضِیَ اللهُ عَنْہُ কে চিঠি লিখলেন: আমার দীর্ঘ দিন ধরে মাথা ব্যাথার সমস্যা রয়েছে, যদি আপনার কাছে এর কোনো ওষুধ থাকে তাহলে পাঠিয়ে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami