Share this link via
Personality Websites!
পথে ফিরে আসে নি বরং অপরের সংশোধনের চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে, শায়খে তরিকত আমীরে আহলে সুন্নাত دَامَتْ بَرَکَاتُہُمُ الْعَالِیَہ ’র প্রদানকৃত ৭২ নেক আমল”র মধ্যে ৬১ নং নেক আমল হলো: এই সপ্তাহে কি কমপক্ষে একজন অসুস্থ বা অসহায় ব্যক্তির ঘরে বা হাসপাতালে গিয়ে সুন্নাত অনুযায়ী সেবা -শুশ্রুষা অথবা নিকটাত্মীয়ের ইন্তিকালে সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন? এটা এমন একটা নেক আমল, এটার উপর আমল করার বরকতে আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষার মতো মহান নেক কাজের উপর আমল করা আমাদের জন্য সহজ হয়ে যাবে, সুতরাং আপনি নিজেকে নিয়মিত “নেক আমলের” অনুসারী বানান আর নেকী সমূহে অটলতা পেয়ে যাবেন।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
যে তোমার থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করে,
তুমি তার সাথে সম্পর্ক অটুট রাখো
মাকতাবাতুল মদীনার কিতাব “বেহেস্ত কি কুঞ্জিয়া” খুবই ঈমান তাজাকারী কিতাব। এ সুন্দর কিতাবের মধ্যে শায়খুল হাদীস হযরত আল্লামা মাওলানা আব্দুল মুস্তফা আযমী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ তাদের অবস্থার প্রতি ঈঙ্গিত করে বলেন: বর্তমান যুগে সামান্য সামান্য এই ধরণের কথাই এটা বলে ফেলে যে, আমি আজ থেকে তোমার ভাই নই এবং তুমি আমার বোন না। এভাবে ভাই ভাইকে বলে ফেলে, আমি আজ থেকে তোমার ভাই না, তুমি আমার ভাই না।
এটা আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন অর্থাৎ সম্পর্ককে ছিন্ন করা, যেটা হারাম এবং জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো কাজ। এজন্য প্রত্যেক মুসলমানের সব সময় এটা মনে রাখা উচিত যে, কোন আত্মীয়ের সাথে সম্পর্ক যেনো ছিন্ন না করে। বরং সব সময় এই প্রচেষ্টায় রত থাকে যে, আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা থাকে এবং কখনো যেনো সম্পর্ক ছিন্ন হতে না পারে। কিছু লোক এটা বলে থাকে যে, যে আত্মীয় আমাদের সাথে সম্পর্ক রাখে আমরাও তাদের সাথে সম্পর্ক রাখবো, আর যে আমাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে আমরাও তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবো। এটা বলা এবং এই পদ্ধতিটাও ইসলামের পরিপন্থী। (আরো বলেন) আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার একটা পদ্ধতি জায়েয, আর সেটা হলো এটাই যে শরীয়াতের ব্যাপারে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করা। উদাহরণ
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami