Share this link via
Personality Websites!
করে এবং যে তাকে বঞ্চিত করে সে যেন তাকে সেটা দান করে, আর যে তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে সে যেন তার সাথে সম্পর্ক অটুট রাখে।”
(আল মুসতাদরাক, ৩/ ১২, হাদীস: ৩২১৫)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! অনেক সময় আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সম্পর্ক হীনতা এবং সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার কারণ তাদের মধ্যকার সামান্য ভুলের কারণে হয়ে থাকে। আমাদের কোন আত্মীয় যদি ভুলে কোন কথা বলে ফেলে বা এমন কোন কাজ করে ফেলে যা আমাদের মনের কষ্টের কারণ হয়, তবে আমরা আমাদের ত্রুটিকে পিছনে ফেলে নফস শয়তানের ধোঁকায় পড়ে আত্মীয়-স্বজনদের সাথে কথাবার্তা, লেনদেন এবং অন্যান্য কার্যাবলী ও সম্পর্ক শেষ করে ফেলি। আর তার ইটের জাওয়াব ইটে দেওয়া ও সব সময়ের জন্য তাকে বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি। এখন ঐ বেচারা আমাদের সামনে হাত জোড় করলে বারবার ক্ষমা চাইলে অক্ষমতা প্রকাশ করলেও আমরা তাকে ক্ষমা করতে প্রস্তুত হইনা। আর আমাদেরকে যদি কেউ বুঝানোর চেষ্টা করে তাকেও নিশ্চুপ করে দিই।
অথচ আমাদের প্রিয় নবী হুযুর পূরনূর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم আমাদের একে অপরের প্রতি শত্রুতা ও ঘৃণা রাখা, সম্পর্ক ভেঙ্গে ফেলা এবং অক্ষমতা প্রকাশকারীর অক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে নিষেধ করেছেন। যেমন-
নবী করীম রউফুর রহীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: “একে অপরের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিও না, একে অপরের প্রতি শত্রুতা রাখবে না, হিংসা করবে না। সম্পর্ক বিচ্ছিন্নকারী হবে না এবং আল্লাহর বান্দারা! ভাই ভাই হয়ে যাও। মুসলমান মুসলমান ভাই ভাই। না তার উপর জুলুম করে, না তাকে বঞ্চিত করে, না তাকে অপদস্থ করে।” (মুসলিম, কিতাবুল বিররি ওয়াস সিলাহ, ১৩৮৬ পৃষ্ঠা, হাদীস: ২৫৬৪) অন্য আর এক জায়গায় ইরশাদ করেন: “وَمَن اعْتَذَرَ اِلٰى اَخِيْهِ الْمُسْلِمِ مِنْ شَي ءٍ بَلَغَهُ عَنْه فَلَمْ يَقْبِلْ عُذْرَه لَمْ يَرِدْ عَلى الْحَوْضِ অর্থাৎ যে কোন মুসলমান তার অক্ষমতা প্রকাশ করলো, আর সে তা গ্রহণ করলো না, তাহলে সে হাওযে কাউসারে উপস্থিত হতে পারবে না।”
(মু’জামুল আউসাত, ৪/৩৭৬, হাদীস: ৬২৯৫)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami