Share this link via
Personality Websites!
দাওয়াত করি, কিন্তু কোন কারণে অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করতে পারেনি, তবে এখন গুরুত্ব সহকারে তার খবর নিই। খুব সমালোচনা ও গীবত করা যায় এবং এই মন-মানসিকতা তৈরী করে ফেলি যে, যেহেতু সে আমাদের অনুষ্ঠান বয়কট করেছে, এজন্য আমরাও তার অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করবো না। আর এ ধরণের খারাপ ধারণার কারণে উভয় পরিবারে মনমালিন্য সৃষ্টি হয়ে যায় ও সময় অতিবাহিত হওয়ার সাথে সাথে এই দূরত্বটা এতই মারাত্মক হয় যে, বছরের পর বছর একে অপর থেকে পৃথক থাকে। অথচ কেউ আমাদের এখানে অংশ গ্রহণ না করতে পারলে তো তার ব্যাপারে সুধারণা রাখার অনেক দৃষ্টিকোণ হতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ- হয়ত সে অসুস্থ হওয়ার কারণে আসতে পারেনি, হয়ত ভুলে গেছে, প্রয়োজনীয় কাজ পড়ে গেছে বা কঠোর কোন অপারগতা ছিলো, যার কারণে তার জন্য অসম্ভব হয়ে গেছে ইত্যাদি। সে তার অনুপস্থিতির কারণ বলুক বা না বলুক, আমাদের সুধারণা রেখে সাওয়াব অর্জন করে জান্নাতে যাওয়ার পাথেয় অর্জন করতে থাকা উচিৎ।
প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: “حُسْنُ الظَّنِّ مِنْ حُسْنِ الْعِبَادَةِ অর্থাৎ সুধারনা একটি উত্তম ইবাদত।”
(সুনানে আবু দাউদ, কিতাবুল আদব, বাব ফি হুসনিয-যন, ৪/৩৮৮ পৃষ্ঠা, হাদীস: ৪৯৯৩)
প্রসিদ্ধ মুফাস্সীর হাকীমুল উম্মত, মুফতী আহমদ ইয়ার খাঁন رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এই হাদীসে পাকের প্রসঙ্গে বলেন: মুসলমানের প্রতি সুধারণা রাখা ও তার প্রতি খারাপ ধারণা না করাও উত্তম ইবাদতের মধ্যে থেকে এক ইবাদত। (মিরআতুল মানাযিহ, ৬/৬২১ পৃষ্ঠা)
অবশ্য আমাদের কোন আত্মীয়-স্বজন অলসতার কারণে বা কোন কারণে অথবা ইচ্ছাকৃত ভাবে না আসে। বা আমাদেরকে দাওয়াত না করে বরং সে সরাসরি আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করে, তখনো আমাদের আশা বাড়িয়ে সম্পর্ক অটুট রাখা উচিৎ। হযরত উবাই বিন কা’ব رَضِیَ اللهُ عَنۡہُ থেকে বর্ণিত; হুযুর পূরনূর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: “যার এটা পছন্দ হয় যে, তার জন্য জান্নাতে একটা মহল বানানো হোক এবং তার মর্যাদা বৃদ্ধি করা হোক। তার উচিৎ তার সাথে যে জুলুম করে তাকে যেন ক্ষমা
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami