Share this link via
Personality Websites!
(যেখানে কিসরার মহল ছিলো) এর বিজয় ১৬ হিজরীর সফরুল মুযাফফর মাসেই হয়েছিলো।
(আল কা’মিলু ফিত তারিখ, ২/৩৫৭)
কিন্তু আফসোস! যখনই সফরুল মুযাফফরের প্রশান্তিময় ও বরকতময় মাসের আগমন হয়, তখন অলক্ষুণের সন্দেহ প্রবণতার শিকার কিছু নির্বোধ এই পবিত্র মাস সম্পর্কে বিভিন্ন ধরণের ভুল ধারণা সম্বলিত কথা প্রসার করে থাকে আর এই মাসকে (Month) খুবই অশুভ মনে করা হয় যে, এই মাসে বিপদাপদ ও বালা-মুসিবত অবতীর্ণ হয়, আর কাবুলি চনা ফাতিহা দেওয়া হয় অথবা আটার গুটি বানিয়ে সমুদ্রে নিক্ষেপ করানো হয় সুতরাং বিশেষ করে এই মাসের শেষ বুধবার তো খুবই অশুভ মনে করা হয়। আসুন! এই মাস সম্পর্কে ভুল ধারণাগুলো সম্পর্কে শ্রবণ করি:
হযরত আল্লামা মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ আমজাদ আলী আযমী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: সফর মাসকে লোকেরা অশুভ হিসাবে জানে, এই মাসে বিয়ে শাদী করে না, কন্যা বিদায় করে না এবং এ ধরণের আরো অনেক কাজ করা থেকে বিরত থাকে আর সফর করা থেকেও বিরত থাকে, বিশেষ করে সফর মাসের প্রথম তের দিনকে অনেক বেশি অশুভ বলে মনে করা হয় এবং এসব হলো অজ্ঞতাজনিত কথা। হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে: “সফর কোন কিছুই নয়।” (বুখারী, কিতাবুত তিব, বাবু লা হামাতা, হাদীস: ৫৭৫৭, ৪/৩৬) অর্থাৎ মানুষের এটিকে অশুভ বলে মনে করা ভুল। অনুরূপভাবে যিলকদ মাসকেও অনেক মানুষ খারাপ মনে করে থাকে, আর এটাকে বলে শূন্যের মাস, এটিও ভুল আর প্রতি মাসের ৩, ১৩, ২৩, ৮, ১৮, ২৮ তারিখগুলোকে অশুভ মনে করে, এরূপ মনে করাও অনর্থক। (মুফতী সাহেব আরো বলেন:) সফর মাসের আখেরী বুধবার ভারতে খুব বেশি পালন করা হয়, লোকেরা
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami