Share this link via
Personality Websites!
হয়। * শুভ প্রথা দ্বারা মনে প্রশান্তি ও আনন্দ অর্জিত হয়, যা সকল কাজে পরিশ্রম ও সমাপ্তির জন্য আবশ্যক আর অশুভ প্রথা তথা কুসংস্কার থেকে দুঃখ ও দ্বিধা দন্ধ সৃষ্টি হয়। * শুভ প্রথা মানুষকে সফলতার দিকে নিয়ে যায়, আর অশুভ প্রথা তথা কুসংস্কার হতাশা ও অলসতা সৃষ্টি করে, যা অবনতির দিকে নিয়ে যায়। ‘মিরাতুল মানাজিহ’তে রয়েছে: শুভ প্রথা গ্রহণ করা সুন্নাত, এতে আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে আশার সঞ্চার হয় আর অশুভ প্রথা তথা কুসংস্কার গ্রহণ করা নিষেধ। কেননা, এতে আল্লাহ পাকের প্রতি নিরাশার সঞ্চার হয়। আশা করা উত্তম, নিরাশা মন্দ, সর্বদা আল্লাহ পাকের নিকট আশা রাখো। (মিরাতুল মানাজিহ, ৬/২৫৫)
অশুভ প্রথা মুশরীকদের পুরোনো রীতি
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! অমুসলিমদের মাঝে বিভিন্ন বিষয়ে অশুভ প্রথা গ্রহণ করা পুরোনো রীতি ও তাদের সন্দেহ প্রবণ লোকেরা প্রত্যেক বস্তু থেকেই প্রভাব গ্রহণ করতো। যেমন; কোন ব্যক্তি কোন কাজের জন্য বের হলো আর পথে কোন পশু সামনে দিয়ে চলে গেলো বা কোন বিশেষ পাখির আওয়াজ কানে এলো তবে দ্রুত ঘরে ফিরে যেতো, এমনিভাবে কিছু দিন ও মাসে কারো আসাকে অশুভ মনে করা তাদের মাঝে প্রসিদ্ধ ছিলো। অনুরূপভাবে এরূপ কল্পনা বা মনে করা আমাদের সমাজেও অনেক প্রসারিত হয়ে গেছে। ইসলামে এরূপ সন্দেহ প্রবণতাকে কখনো অনুমতি দেয় না আর ইসলাম যেখানে অন্যান্য অহেতুক প্রথার মূলৎপাটন করেছে, সেখানে এই মন্দ প্রথাকেও নিঃশেষ করে দিয়েছে। (সীরাতুল জিনান, ৩/৪১২) আসুন! অশুভ প্রথা তথা কুসংস্কার সম্পর্কে প্রিয় মুস্তফা
صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর দু’টি বাণী শ্রবণ করি:
(১) ইরশাদ হচ্ছে: যখন তোমরা হিংসা করো তখন অতিরঞ্জিত করো না। যখন তোমাদের কুধারণা সৃষ্টি হয়, তখন এতে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami