Book Name:সকাল কোন অবস্থায় করলে?
উপর থাকে, তবে তা আদায় করে দাও (অথবা ক্ষমা করিয়ে নাও); কারণ মাঝেমধ্যে ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু চলে আসে, যদি কারো হক যিম্মায় নিয়ে মারা যায় তবে আল্লাহ পাকের দরবারে তার নিকট কোনো দলীল বা অপারগতা থাকবে না (অর্থাৎ কিয়ামতের দিন হক আদায় করা কঠিন হবে)। (২) আল্লাহ পাকের নির্ধারিত ফরযসমূহের মধ্য থেকে কোনো ফরয যেন তার যিম্মায় (অবশিষ্ট) না থাকে। (যেমন; ইশার নামায রয়ে গেছে তবে তা পড়ে ঘুমাবে, একইভাবে অন্যান্য ফরযের উপরও চিন্তা করে নাও)। (৩) নিজের সমস্ত গুনাহ থেকে তাওবা করে ঘুমাবে (যাতে ঘুমের অবস্থায় মৃত্যু এসে গেলেও তাওবার উপর সমাপ্তি হয়)। (৪) অসিয়তনামা লিখে ঘুমাবে। (তানবীহুল গাফিলীন, পৃষ্ঠা: ৩২৪)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! এটি চিন্তার বিষয়। আমাদের এটি বুঝানো হয়েছে যে, সকালের অবস্থা সঠিক করতে চাইলে, ভালো সকাল পেতে চাইলে, তবে এর জন্য রাতে ঘুমানোর আগের অবস্থাকে সঠিক করো! কারণ মানুষ যে অবস্থায় ঘুমায় সেই অবস্থাতেই উঠে। আফসোস! আমাদের এখানে ঘুমানোর সময়ের রুটিনও অদ্ভুত রকমের হয়ে থাকে। কতযে মানুষ এমন রয়েছে, যারা গুনাহ করে ঘুমায়, কতযে এমন রয়েছে, যারা ইশার নামায পড়া ছাড়াই ঘুমিয়ে পড়ে, কতযে এমন রয়েছে, যারা গুনাহে ভরা চ্যানেল দেখতে দেখতে ঘুমায়, এমন নির্বোধও রয়েছে, যারা হেডফোন কানে লাগিয়ে মোবাইলে গান চালিয়ে গান শুনতে শুনতে ঘুমায়, কতযে এমন রয়েছে, যারা অনৈতিক ওয়েবসাইট দেখে ঘুমায়, কতজনের রাত মোবাইলের পেছনে কাটে, ভোরে সাহরীর সময় গিয়ে চোখ বন্ধ করে, এরপর দুপুর ১২টায় উঠে...!! হায়! আমাদের যদি রাতের রুটিনও সঠিক হয়ে যায় আর সকালের অবস্থাও সুন্দর হয়ে যায়।