Share this link via
Personality Websites!
গুনাহ করার সময় প্রবল বাতাসে দরজার পর্দা উঠে গেলে তুমি ভয় পাও কিন্তু আল্লাহ পাকের সেই দৃষ্টিকে ভয় পাও না যা তিনি তোমার উপর সর্বদা রাখেন, তোমার এই কাজ এর চেয়েও বড় গুনাহ। (আয যাওয়াজির, ভূমিকা, খণ্ড:১, পৃষ্ঠা:২৬)
আজ আমলের সময়
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! এখনো আমরা জীবিত আছি, আজ আমাদের নিকট সময় আছে, আমরা তাওবা করে পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করাতে পারি, নেক কাজ করে কবর আলোকিত করার ব্যবস্থা করতে পারি। যদি এই নিশ্বাসের মালা ছিঁড়ে যায়, রূহ শরীর থেকে বের করে নেওয়া হয় তবে অনুশোচনা ছাড়া কিছুই হাতে আসবে না। বলা হয়: কোনো মৃতকে স্বপ্নে দেখা গেল তো সে বলল: مَا عِنْدَکُم اَکْثَرُ مِنَ الْغَفْلَۃِ وَ مَا عِنْدَنَا اَکْثَرُ مِنَ الْحَسْرَۃِ অর্থাৎ তোমরা জীবিত লোকেরা অনেক বেশি উদাসীনতায় আছো এবং আমরা যারা কবরে নেমে গেছি, আমরা অনেক বেশি আক্ষেপে আছি।
(আহওয়ালুল কুবুর, ফসলু মা জাআ ফিল কাশফ, পৃষ্ঠা: ৬৮)
মানুষের দুটি ঘর রয়েছে
হে আশিকানে রাসূল! এই আক্ষেপ এবং লজ্জার সময় আমাদের উপর আসার আগে, আমাদের উচিত কবর ও আখিরাতের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে যাওয়া। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ইযার رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: মানুষের ২টি ঘর রয়েছে। (১): একটি সেই ঘর যা মাটির উপরে আছে (২): দ্বিতীয় সেই ঘর, যা মাটির নিচে আছে। মানুষ মাটির উপরের ঘর সাজাতে গোছাতে লেগে থাকে, তাতে ঠান্ডা গরম থেকে বাঁচার ব্যবস্থা করে কিন্তু এই চিন্তায় মাটির নিচের ঘর খারাপ করে বসে, তারপর তার নিকট আগন্তুক এসে যায় (অর্থাৎ তার মৃত্যুর সময় হয়ে যায়), তাকে বলা হয়: একটু বল তো এই ঘর যাকে তুমি খুব সাজিয়েছো গুছিয়েছো, এতে কত দিন থাকবে? বান্দা বলে: আমি জানি না...!! তারপর
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami