Book Name:Qabar Ka Muamla Asan Nhi
যেতে? সেই মৃত ব্যক্তি চিৎকার করে উঠল: হায়...!! আমি এটা সহ্য করার শক্তি রাখি না। ইতিমধ্যে সেই পাখিটি এমন এক জোরদার থাপ্পড় মারল যে, লাশের তেল, পানি বেরিয়ে গেল এবং কবরে বইতে লাগল। তারপর তাকে পুনরায় আসল অবস্থায় আনা হলো। পাখিটি আবার বলল: তুমি কি সেই নও, যে জাঁকজমকপূর্ণ কাপড় পরে অহংকারের সাথে হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে শ্বশুরালয়ে যেতে? এটা বলে সে আবার এক জোরদার আঘাত করল। এভাবেই তিনবার তাকে মারল।
ইতোমধ্যে সেই পাখিটির নজর আমার উপর পড়ল এবং সে তার সাথের পাখিটিকে বলল: আল্লাহ একে লাঞ্ছিত করো, একে দেখো! এ কোথায় বসে আছে। এটা বলে সে আমাকেও এক থাপ্পড় মারল। এমন জোরদার থাপ্পড় ছিল যে, আমি সারারাত অজ্ঞান ছিলাম। সকালে যখন জ্ঞান ফিরল তখন না সেখানে পাখি ছিল, না কবরে কিছু দেখা যাচ্ছিল। সেই নতুন কবরটিও সাধারণ কবরের মতোই মনে হচ্ছিল। এই আমার চেহারার যে অবস্থা তুমি দেখছ, এটা সেই পাখির থাপ্পড়েরই প্রভাব।
(মাওসুয়াতু ইবনে আবী দুনিয়া, কিতাবুল কুবুর, খণ্ড:৬, পৃষ্ঠা:৭৫-৭৯, সংখ্যা:৯৮)
অহংকার থেকে বাঁচুন!
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আমরা একটু চিন্তা করি! এটা কত কঠিন আযাব ছিল, এক একটি থাপ্পড় এত জোরদার ছিল যে, লাশ গলে বয়ে গেল, তাকে আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হলো, আবার থাপ্পড় মারা হলো। মনে রাখবেন! কবরের আযাব সত্য, আল্লাহ যেন পাক আমাদেরকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করুক اٰمین। আমরা নিজেদের ব্যাপারে ভাবি, আল্লাহ না করুক! যদি আমাদের এমন মার মারা হয়, তবে কি আমরা সহ্য করতে পারব? কখনোই না, কত কঠিন কষ্টের ব্যাপার