Share this link via
Personality Websites!
বললেন: সেই ভয়াবহ অবস্থায়ও তোমার অজান্তেই যে মহান সত্তার উপর আশা ছিল, যেই সত্তার উপর ভরসা জেগে ছিল, তাঁকেই খোদা বলা হয়। তিনিই তোমাকে ডুবে যাওয়া থেকে বাঁচিয়েছেন। তাঁর এই প্রজ্ঞাময় কথা শুনে সেই লোকটি তখনই কালেমা পড়ে মুসলমান হয়ে গেল।
(তাফসিরে কবীর, পারা: ১, সূরা বাকারা, ২২নং আয়াতের পাদটীকা, ১/৩৩৩)
মোটকথা যে, * ঈমান * দ্বীন * একত্ববাদ, এসব বিষয়ই আমাদের ফিতরাতের অংশ। এখন যদি কেউ * দ্বীন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় * দ্বীনের পরিবর্তে নিজের অপূর্ণ জ্ঞানের পেছনে চলে * মানুষের মস্তিষ্কের আবিস্কৃত দৃষ্টিভঙ্গি (Invented Ideas) এর কথা বলে * বাবা-মার মুক্তির শ্লোগান দেয় * মুক্ত চিন্তাশীল হয়, তবে সে ব্যক্তি নিজের ফিতরাতকে ভুলে যাচ্ছে। এভাবে বুঝে নিন! যে, একটি হলো শরীরিক বিকৃতি আরেকটি হলো: রূহানী বিকৃতি। যে বান্দা নিজের ফিতরাতকে ভুলে গিয়ে ঈমান ও দ্বীনের বিরোধিতার পথ অবলম্বন করে, তারা আসলে নিজের রূহকে বিকৃত করছে। তাই আমাদের উচিত সবসময় ফিতরাতের উপর অটল থাকা।
ফিতরাতের বিষয়সমূহ
মুসলমানদের প্রিয় আম্মাজান হযরত আয়েশা সিদ্দিকা رَضِیَ اللهُ عَنْہَا থেকে বর্ণিত, রাসূলে পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: ১০টি বিষয় ফিতরাতের অন্তর্ভুক্ত: (১) গোঁফ ছোট করা (২) দাঁড়ি লম্বা করা (৩) মিসওয়াক করা (৪) নাকে পানি দেওয়া (যেমনটি ওযুতে করা হয়) (৫) নখ কাটা (৬) আঙুলের জোড়গুলো ধৌত করা (৭) বগলের লোম উপড়ানো (৮) নাভির নিচের লোম পরিষ্কার করা (৯) পানি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করা। (মুসলিম, কিতাবুত তাহারাত, পৃষ্ঠা:১১৬, হাদীস: ২৬১)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami