Share this link via
Personality Websites!
দিনে রোযা রাখে এবং রাতে ইবাদত করে, সে যেন ১০০ বছর রোযা রাখল আর সেটি হলো রজব মাসের ২৭ তারিখ।
(শুআবুল ঈমান, খণ্ড: ৩, পৃষ্ঠা: ৩৭৪, হাদীস: ৩৮১১)
শাবান মাসের রোযার ফযিলত
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! اَلْحَمْدُ لِلّٰه শাবানুল মুয়াযযম মাসও আসতে চলেছে। এই মাসটিও খুবই বরকত ও মহত্বপূর্ণ। প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এই মাসে প্রচুর পরিমাণে নফল রোযা রাখতেন। এই মহান মাসেও বেশি বেশি নফল রোযা রাখার মানসিকতা তৈরি করুন। উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা সিদ্দিকা رَضِیَ اللهُ عَنْہَا বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে শাবান মাসের চেয়ে বেশি অন্য কোনো মাসে রোযা রাখতে দেখিনি। তিনি কয়েক দিন ছাড়া প্রায় পুরো মাসই রোযা রাখতেন । (তিরমিযী, কিতাবুস সওম, পৃষ্ঠা: ২০৬, হাদীস: ৭৩৬) একদা নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে জিজ্ঞাসা করা হলো: রমযানের পর কোন রোযা সবচেয়ে উত্তম? ইরশাদ করলেন: রমযানের সম্মানে শাবানের রোযা রাখা।
(তিরমিযী, কিতাবুস সওম, পৃষ্ঠা: ১৮৯, হাদীস: ৬৬৩)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! اَلْحَمْدُ لِلّٰه আশিকানে রাসূলের দ্বীনি সংগঠন দাওয়াতে ইসলামীর দ্বীনি পরিবেশে শাবান মাসেও রোযার বসন্ত দেখা যায়। বিভিন্ন স্থানে সাহরী ইজতিমারও আয়োজন করা হয়। مَاشَآءَالله অনেক আশিকানে রাসূল এই মাসে অধিকহারে রোযা রাখেন এবং রোযা রাখতে রাখতে রমযানুল মুবারকের সাথে মিলিয়ে দেন। আপনারাও দাওয়াতে ইসলামীর দ্বীনি পরিবেশের সাথে যুক্ত হয়ে যান, اِنْ شَآءَ الله মেরাজের ফয়যানের পাশাপাশি শাবান ও রমযানের বরকতও নসীব হবে। আল্লাহ পাক যেন আমল করার তাওফীক দান করুক।
اٰمین بِجاہِ خاتَمِْالنَّبِیّٖن صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami