Meraj-e-Mustafa Men Sekhny ki batain

Book Name:Meraj-e-Mustafa Men Sekhny ki batain

সফর করতে হতো এই ব্যক্তি এত দূর থেকে সফর করে এসেছেন আর কেন এসেছিলেন শুনুন!) হযরত আবু দারদা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ বললেন: তুমি কি বাণিজ্যের জন্য আসোনি? আরয করল: না বললেন: বাণিজ্য ছাড়া দামেস্কে তোমার অন্য কোনো কাজ রয়েছে, যার জন্য তুমি এসেছ? আরয করল: না (আমি শুধুমাত্র রাসূলের হাদীস শেখার জন্য এত দূর থেকে উপস্থিত হয়েছি, এটা ছাড়া আমার আর কোন উদ্দেশ্য নেই) এতে হযরত আবু দারদা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ ইলমে দ্বীন অর্জনের ফযিলত বর্ণনা করে বললেন: আমি আল্লাহ পাকের সর্বশেষ নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কে ইরশাদ করতে শুনেছি: * যে ব্যক্তি ইলম (দ্বীন) শেখার পথে চলে, আল্লাহ পাক তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেন * নিশ্চয় ফেরেশতারা ইলম (দ্বীন) অন্বেষণকারীদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে তাদের জন্য নিজেদের ডানা বিছিয়ে দেয় * নিশ্চয় জমিন আসমানের সমস্ত সৃষ্টি, এমনকি পানিতে মাছেরাও ইলম (দ্বীন) অন্বেষণকারীদের জন্য মাগফিরাতের দোয়া করে থাকে * নিশ্চয় ইলমের ফযিলত ইবাদতকারীর উপর এমন যে, যেমন পূর্ণিমা রাতের চাঁদের ফযিলত নক্ষত্র রাজির উপর * নিশ্চয় আলেমগণ আম্বিয়ায়ে কেরামের ওয়ারিশ, নিশ্চয় আম্বিয়ায়ে কেরাম عَلَیْهِمُ السَّلَام উত্তরাধিকার হিসেবে দিরহাম দিনার (অর্থাৎ ধন-সম্পদ) রেখে যান না, আম্বিয়ায়ে কেরাম عَلَیْهِمُ السَّلَام তো উত্তরাধিকার হিসেবে শুধুমাত্র ইলম রেখে যান, সুতরাং যে ইলম অর্জন করল, সে এক বিরাট অংশ লাভ করে নিল

(তিরমিযী, আবওয়াবুল ইলম, পৃষ্ঠা: ৬৩১, হাদীস: ২৬৮২)

    سُبْحٰنَ الله! ইলমে দ্বীন অর্জনকারীরও কিরূপ অনন্য মর্যাদা। আল্লাহ পাক আমাদেরও দ্বীনি ইলম শেখার, দ্বীনি কিতাব পড়ার