Book Name:Meraj-e-Mustafa Men Sekhny ki batain
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: আল্লাহর স্থাপিত বুনিয়াদ, যার উপর মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর বানানো বস্তুকে বিকৃত করোনা, এটাই সোজা ধর্ম, কিন্তু বহু লোক জানে না।
এই আয়াতে ফিতরাত দ্বারা দ্বীন ইসলামকে বোঝানো হয়েছে। (সিরাতুল জিনান, পারা ২১, সূরা রূম, ৩০নং আয়াতের পাদটীকা, ৭/৪৪৩) অর্থাৎ বলা হচ্ছে যে, হে মানুষ! ফিতরাত (অর্থাৎ দ্বীন ইসলাম) এর অনুসরণ করো। নিশ্চয় প্রত্যেক মানুষকে এই ফিতরাতের উপরই সৃষ্টি করা হয়েছে। এবার এরপর যারা এই ফিতরাত থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে অন্য কোন দিকে যায় তবে সে শয়তানের ফাঁদে ফেঁসে যায়। (তাফসীরে নাসাফী, পারা: ২১, সূরা রূম, ৩০নং আয়াতের পাদটীকা, ২/৬৯৯)
প্রত্যেক মানুষ ফিতরাতের উপর জন্ম নেয়
হাদীস শরীফে রয়েছে: مَا مِنْ مَوْلُودٍ اِلَّا يُولَدُ عَلَى الْفِطْرَةِ، فَأَبَوَاهُ يُهَوِّدَانِهِ، اَوْ يُنَصِّرَانِهِ অর্থাৎ প্রত্যেকটি সন্তান ফিতরাতের উপরই জন্মগ্রহণ করে, এরপর তার পিতামাতাই তাকে ইহুদি বা খ্রিষ্টান বানিয়ে দেয়। (বুখারী, কিতাবুল জা্নায়িয, পৃষ্ঠা: ৩৮০ হাদীস: ১৩৫৮)
বিখ্যাত মুফাসসির মুফতি আহমদ ইয়ার খাঁন নঈমী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ লিখেন: ফিতরাত দ্বারা উদ্দেশ্য হলো: মূল ও জন্মগত অবস্থা। অর্থাৎ প্রতিটি মানুষ ঈমান ও ইসলামের উপর জন্ম নেয়, এরপর বড় হওয়ার পর যা নিজের পিতামাতা এবং সঙ্গীদের দেখে তেমন হয়ে যায়। (মিরাতুল মানাজিহ, ১/১০০)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! এই কুরআনী আয়াত এবং হাদীসে নববী দ্বারা জানা গেলো; আমরা হলাম সৃষ্টি এবং আমাদের সৃষ্টিকর্তা, আমাদের সৃষ্টিকারী দয়ালু আল্লাহ আমাদেরকে সৃষ্টিই এভাবে করেছেন যে, দ্বীন, ঈমান, একত্ববাদ, এই সব কিছু আমাদের ফিতরাতে রেখেছেন।
সমুদ্রে আশা কার উপর ছিল...!!