Share this link via
Personality Websites!
জানা নেই, তবে কিছু কিছু বর্ণনা থেকে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়। যেমনটি একটি বর্ণনায় রয়েছে: প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: যখন আমি মেরাজের রাতে অদৃশ্য পর্দার অন্তরালে পৌঁছলাম, তখন আমার মুখে একটি ফোঁটা ফেলা হলো, যা বরফের চেয়েও বেশি শীতল এবং কস্তুরীর চেয়েও বেশি সুগন্ধিময় ছিল। ওই ফোঁটায় পূর্ববতী ও পরবর্তী (অর্থাৎ পূর্বাপর) সকল ইলম বিদ্যমান ছিল, যা আমার অন্তরে ঢেলে দেওয়া হলো। (নাদেরুল মেরাজ, পৃষ্ঠা: ২৭৭)
এই মর্মের একটি হাদীসে পাক তিরমিযী শরীফেও রয়েছে, যাতে প্রিয় আক্বা, মাক্কী মাদানী মুস্তফা صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন যে, পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে যা কিছু আছে, তা সবই আমি জেনে নিয়েছি। (তিরমিযী, কিতাবুত তাফসীরে কুরআন, পৃষ্ঠা: ৭৪৭, হাদীস: ৩২৩৪)
দ্বীনি ইলমের জন্য সফর করুন!
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আমরা শুনলাম যে, মেরাজ সফর ছিল ইলমের সফর। এতে আমাদের জন্যও শিক্ষা রয়েছে। আমাদেরও উচিত দ্বীনি ইলম শেখার জন্য সফর করা। এর অনেক বরকত রয়েছে। হযরত কাসীর বিন কাইস رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: আমি দামেস্কের মসজিদে সাহাবীয়ে রাসূল হযরত আবু দারদা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ এর খেদমতে উপস্থিত ছিলাম। তখন তাঁর কাছে এক ব্যক্তি এসে আরয করল: হে আবু দারদা رَضِیَ اللهُ عَنْہُ! আমি জানতে পেরেছি যে, আপনি প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর একটি হাদীস বর্ণনা করেন, আমি সেই হাদীসটি শেখার জন্য মদীনা মুনাওয়ারা থেকে এসেছি।
(!اَللهُ اَكْبَرُ ইলম শেখার আগ্রহ দেখুন! মদীনা থেকে দামেস্ক পর্যন্ত এক হাজার কিলোমিটারের বেশি দুরত্ব এবং সেই যুগে কোনো গাড়ি বা বিমান ছিল না। পায়ে হেঁটে বা পশুর পিঠে চড়ে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami