Share this link via
Personality Websites!
কখনো পাহাড়ের চূড়া থেকে নিচে ফেলে দেয়ার চেষ্টা করলো, তাও ব্যর্থ হলো, কখনো সমুদ্রের মাঝে গিয়ে পানিতে ফেলে দিয়ে ডুবিয়ে মারার চেষ্টা করলো, তাও ব্যর্থ হলো, অবশেষে সেই কামিল ওলী নিজেই বললো: হে বাদশাহ! তুমি যদি আমাকে শহীদ করতেই চাও, তবে এর একটি মাত্র উপায় আছে, একটি খোলা ময়দানে সবাইকে জড়ো করো! আমাকে খেজুর গাছের সাথে বেঁধে بِسْمِ اللهِ رَبِّ الْغُلَام বলে তীর মারো।
বাদশাহ পদ্ধতিটি শুনে খুবই খুশি হলো, দ্রুত মানুষ জড়ো করা হলো, একটি খোলা ময়দানে খেজুর গাছ লাগিয়ে তাতে আল্লাহর ওলীকে বাঁধা হলো, এবার বাদশাহ ধনুকে তীর লাগালো, তা টানলো এবং বললো: بِسْمِ اللهِ رَبِّ الْغُلَام আল্লাহ পাকের নামে, যিনি এই যুবকের প্রতিপালক। এই বলে বাদশাহ তীর নিক্ষেপ করলো, তীর সেই কামিল ওলীর কানের পাশে লাগলো এবং তাঁর প্রাণ বায়ু উড়ে গেলো।
যখন লোকেরা এই দৃশ্য দেখলো যে, ওই বাদশাহ, যে কিনা নিজেকে খোদা দাবী করে, তার সকল প্রচেষ্টা বিফল হয়ে গেলো, অবশেষে এই যুবকের প্রতিপালকের নামই কাজে এলো, তখন তারা বুঝে গেলো যে, সত্যিকার খোদা এই বাদশাহ নয়, বরং এই যুবকের প্রতিপালক, অতএব সবাই কালেমা পাঠ করলো এবং সত্য দ্বীনের অনুসারী হয়ে গেলো।
এবার তো বাদশাহর অনেক রাগ এলো, তার খোদা দাবীর মিথ্যা প্রকাশ হয়ে গেলো, লোকেরা তাকে ছেড়ে এক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনলো, অতএব বাদশাহ রাগে ফুসে উঠলো এবং আদেশ দিলো: গলির পাশে গর্ত খুঁড়ে তাতে আগুন জ্বালিয়ে দাও, বাদশাহর আদেশ পালন করা হলো, এবার বাদশাহ নির্দেশ জারি করলো যে, যেই ব্যক্তি নিজের ধর্ম থেকে ফিরে আমাকে খোদা
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami