Book Name:Khai Walon Ka Waqia
উপর পরীক্ষা পাঠিয়ে দেন এবং আমাদের জন্য জান্নাতের রাস্তা সহজ (Easy) করে দেন।
কুফরকে ঘৃণা করা জরুরী
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! اَلْحَمْدُ لِلّٰه আমরা মুসলমান, নিশ্চয়ই এটি আল্লাহ পাকের অনেক বড় নিয়ামত। আমাদের কালেমা পড়া এবং মুসলমান হওয়া اِنْ شَآءَ الله জাহান্নাম থেকে বেঁচে জান্নাতে যাওয়ার মাধ্যম হয়ে যাবে। কিন্তু মনে রাখবেন! জাহান্নাম থেকে বাঁচতে এবং জান্নাতের হকদার হওয়ার জন্য শুধু মুসলমান হওয়াই যথেষ্ট নয়, বরং ঈমান নিরাপদ রেখে দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়াও জরুরী।
তাই আমাদের উচিত, আমরা যেন নিজেদের ঈমানের চিন্তা করি। আল্লাহ পাক আমাদেরকে ঈমানের দৌলত দ্বারা ধন্য করেছেন, এর কদরও করি, এর শুকরিয়াও আদায় করি এবং সাথে সাথে কুফরের প্রতি ঘৃণাও পোষণ করতে থাকি। হাদীসে পাকে রয়েছে: যার মধ্যে ৩টি বিষয় থাকে, সে ঈমানের মিষ্টতা পেয়ে যায়। (এই ৩টির মধ্যে একটি বিষয় ইরশাদ করেন:) সে ঈমান আনার পর কুফরের দিকে ফিরে যাওয়াকে এমনভাবে অপছন্দ করে, যেমন আগুনের মধ্যে পতিত হওয়াকে অপছন্দ করে।
(বুখারী, কিতাবুল ঈমান, পৃষ্ঠা: ৭৫, হাদীস: ২১)
জানা গেল; ঈমানদার হিসাবে থাকার, ঈমানের নিরাপত্তার সাথে কবরে যাওয়ার এবং এর মাধ্যমে জান্নাতের অধিকারী হওয়ার জন্য জরুরী হলো যে, আমরা যেন কুফরের প্রতি সর্বক্ষণ ঘৃণা পোষণ করতে থাকি।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
(২) কষ্ট দিবেন না!