Share this link via
Personality Websites!
মুসলমান, আল্লাহ পাককে মানি, তাঁর রাসূল صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর কালেমা পড়ি, আল্লাহ পাকের সামনে মাথা নত করি, তাঁর ইবাদত করি, তবুও কেন আমরা পরীক্ষার সম্মুখীন হই, কেন মুসলমানদের মধ্যে দরিদ্রতাও রয়েছে, অভাবও রয়েছে, পরীক্ষাও রয়েছে, এই মুহূর্তে সারা পৃথিবীতে মুসলমানরা বিভিন্ন ধরনের বিপদেরও শিকার রয়েছে, অথচ অমুসলিমদের অবস্থা আমাদের চেয়ে অনেক ভালো, তারা ধনীও, বড় বড় বিল্ডিংও রয়েছে, তাদের মধ্যে সমৃদ্ধিও আছে, সবকিছুই রয়েছে। কেন এমনটা হয়? এর খুবই সহজ উত্তর হলো, হাদীস শরীফে ইরশাদ করা হয়েছে: الدُّنْيَا سِجْنُ الْمُؤْمِن وَ جَنَّةُ الْكَافِر দুনিয়া মুসলমানের জন্য জেলখানা এবং অমুসলিমের জন্য জান্নাত।
(মুসলিম, কিতাবুয যুহুদ ওয়ার রিকাক, পৃষ্ঠা: ১১৩৩, হাদীস: ২৯৫৬)
এবার নিজেই চিন্তা করুন: জেলখানায় কী হয়? পরীক্ষা, কষ্ট, অভাবই তো হয়ে থাকে। অতএব আমরা মুসলমান, কাজেই এই পৃথিবীতে আমাদের উপর পরীক্ষা আসবেই আসবে।
লোকেরা মুসলমান হওয়াকে সহজ মনে করে
আল্লাহ পাক কুরআন মজীদে ইরশাদ করেন:
اَحَسِبَ النَّاسُ اَنْ یُّتْرَكُوْۤا اَنْ یَّقُوْلُوْۤا اٰمَنَّا وَ هُمْ لَا یُفْتَنُوْنَ(۲)
(পারা ২০, সূরা আনকাবুত, আয়াত ২)
কানযুল ঈমানের অনুবাদ: লোকেরা কি এ অহঙ্কারের মধ্যে রয়েছে যে, এতটুকু কথার উপর তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হবে যে, তারা বলবে, আমরা ঈমান এনেছি। তাদেরকে পরীক্ষা করা হবে না?
তাফসীরে সিরাতুল জিনানে রয়েছে: জানা গেলো যে, মুসলমানদেরকে তাদের ঈমানী শক্তি অনুযায়ী পরীক্ষা নেয়া, আল্লাহ পাকের একটি নিয়ম। অসুস্থতা, দরিদ্রতা, অভাব, বিপদ,
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami