Book Name:Khai Walon Ka Waqia
কিয়ামতের দিন নামায, রোযা এবং যাকাত নিয়ে আসবে কিন্তু এমন অবস্থায় আসবে যে, কাউকে গালি দিয়েছে, কারও উপর অপবাদ দিয়েছে, কারও সম্পদ ভোগ করেছে, কারও রক্ত প্রবাহিত করেছে, কাউকে প্রহার করেছে। সুতরাং তার নেকীগুলো থেকে কিছু এই নির্যাতিতকে দেওয়া হবে এবং কিছু ওই নির্যাতিতকে। এরপর যদি তার জিম্মায় থাকা হক আদায়ের পূর্বেই তার নেকী শেষ হয়ে যায়, তবে ওই নির্যাতিতদের গুনাহসমূহ নিয়ে এই অত্যাচারির ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে, অতঃপর তাকে আগুনে নিক্ষেপ করা হবে।
(মুসলিম, কিতাবুল বিররি ওয়াস সিলাহ, পৃষ্ঠা: ১০০০, হাদীস: ২৫৮১)
তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকানোও নিষেধ
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! ইসলাম এমন একটি সুন্দর ধর্ম যে, অন্যকে মারা, গালি দেওয়া, কারও সম্পদ লুটে নেওয়া বা আত্মসম্মান ধূলিসাৎ করা তো দূরের কথা, আমরা কাউকে রাগান্বিত হয়ে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকাব, আমাদের ইসলাম আমাদেরকে এই অনুমতিও দেয় না। রাসূলে পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: যে ব্যক্তি নিজের ভাইয়ের দিকে ভয় দেখানোর দৃষ্টিতে তাকায়, আল্লাহ পাক তাকে কিয়ামতের দিন ভীতসন্ত্রস্ত করবেন।
(শুয়াবুল ঈমান, ৬/৫০, হাদীস: ৭৪৬৮)
প্রসিদ্ধ মুফাসসিরে কুরআন, হাকীমুল উম্মত হযরত মুফতি আহমদ ইয়ার খাঁন رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এই হাদীসে পাকের ব্যাখ্যায় লিখেন: ভাই দ্বারা উদ্দেশ্য হলো মুসলমান ভাই। অর্থাৎ যে ব্যক্তি কোনো মুসলমানকে বিনা অপরাধে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে ভয় দেখায়। অন্যথায় অপরাধীর দিকে তাকানো বা ভয় দেখানো জরুরী। (তিনি আরও লিখেন:) এতে ইশারা পাওয়া গেল যে, মুসলমান