Share this link via
Personality Websites!
ফ্রাঙ্কের নামে অন্যের আত্মসম্মান নষ্ট করে, * সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরাল করে এবং * কে জানে কী কীভাবে অন্যদের কষ্ট দিচ্ছে। আর এর চেয়েও বেশি বিপজ্জনক বিষয় হলো যে, অন্যকে কষ্ট দিয়ে মানুষ আনন্দিত হয়, নিজেকে বাহাদুর মনে করে, অন্যকে ধোঁকা দেয়াকে নিজের চতুরতা মনে করে, তাই তারা না তাওবা করে, না নিজেদের আখিরাতের কথা ভাবে।
গুনাহ তো হলো, এরপর যদি তার ওপর লজ্জাবোধ বা অনুশোচনা জাগে তবে এটাও বড় বিষয়, কিন্তু আফসোস! আজকাল মানুষ (কারো) মনে কষ্ট দিয়ে লজ্জিতও হয় না, ক্ষমা চাওয়াও পছন্দ করে না, উল্টো এর ওপর খুশি হতে থাকে। হায়! যদি আমাদের অন্তরে মুসলমানের ইজ্জত বা সম্মান বসে যেত, আমরা যদি আমাদের মুসলমান ভাইদের সম্মান করা শিখে যেতাম। বিশ্বাস করুন! ইসলামে শান্তি ও স্বস্তি, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং পারস্পরিক ভালোবাসা ও প্রেমকে অনেক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যারা এই ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের ক্ষতিসাধন করে, নিজেদের মুসলমান ভাইদের কষ্ট দেয় কিংবা তাদের আত্মসম্মানহানি করে, তারা অত্যন্ত খারাপ লোক।
খারাপ এবং ভাল ব্যক্তির পরিচয়
একবার রাসূলে পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم সাহাবায়ে কিরাম عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان কে ইরশাদ করলেন: আমি কী তোমাদের ভাল এবং খারাপ ব্যক্তি সম্পর্কে জানাবো না? একজন আরয করলো: জ্বি হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم! আমাদেরকে আমাদের খারাপ এবং ভালদের সম্পর্কে জানান! ইরশাদ করলেন: তোমাদের মধ্যে ভাল হলো সেই ব্যক্তি, যার নিকট কল্যাণ আশা করা যায় এবং তার অনিষ্ট থেকে অপরজন নিরাপদ থাকে, আর তোমাদের মধ্যে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami