Book Name:Duniya Ki Mohabbat Ki Mazammat
হযরত মাহমুদ বিন লবিদ رَضِیَ اللهُ عَنْہُ হতে বর্ণিত; নবীয়ে করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: আল্লাহ পাক স্বীয় বান্দাদেরকে দুনিয়া থেকে এমনিভাবে দূরে রাখেন, যেমনিভাবে তোমরা নিজেদের অসুস্থ ব্যক্তিকে পানাহারের বস্তু থেকে বিরত রাখো।
(শুয়াবুল ঈমান, ৭/৩২১, হাদীস নং: ১০৪৫০)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
দুনিয়া হচ্ছে বালির ন্যায়!
হে আশিকানে রাসূল! শুনলেন তো আপনারা যে, বর্ণনাকৃত হাদীসে মুবারাকায় দুনিয়ার প্রতি ভালবাসা পোষনকারীদের কিরূপ নিন্দা (Condemnation) বর্ণনা করা হয়েছে, সুতরাং আমাদের উচিৎ যে, শুধুমাত্র দুনিয়ার জন্যই যেন চেষ্টা করতে না থাকি, আখিরাতের জন্যও নেকীর ভান্ডার জমা করি, কেননা দুনিয়ার উদাহরণ হলো বালির ন্যায়, বালি দ্বারা মুষ্টি যতই বড় করে ভরে নিন না কেন, তা ধীরে ধীরে কণা কণা মুষ্ঠি থেকে বের হয়ে যায় এবং অবশেষে মুষ্ঠি খালি হয়ে যায়। এমনই অবস্থা এই ধোকাবাজ দুনিয়ার।
সম্পদ উপার্জন করা অতঃপর তা অসুস্থতায় ব্যয় করা
মানুষ সারা জীবন দুনিয়ার আনুগত্য করে, দুনিয়া অর্জনের টানে দিনরাত এক করে দেয়, পার্ট টাইম চাকুরী করে, ২০ ঘন্টা পর্যন্তও কাজ করে, শুধুমাত্র এই কারণেই যে, টাকা উপার্জন করতে হবে, মোটকথা দিন অতিবাহিত হয় এই ভেবে যে, টাকা উপার্জন করতে হবে এবং কদম বাড়ায় এই চিন্তায় যে, টাকা উপার্জন করতে হবে। কিন্তু আহ! সেই টাকা, যার জন্য নিজের শরীরের তোয়াক্কা করেনি, সেই দুনিয়া, যার জন্য দিনরাত এক করেছিলো, সেই সম্পদ, যা পাওয়ার সংগ্রামে ওভারটাইম করেছিলো, সেই ধন, যা অর্জনের জন্য হালাল হারামের তোয়াক্কা