Share this link via
Personality Websites!
سُبْحٰنَ الله! প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! চিন্তা করুন! সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী, নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم যখন দুনিয়াতে তাশরীফ আনলেন, তখন কেমন শানের সাথে আগমন হলো...!! কী কী বরকতের প্রকাশ ঘটলো। এই পুরো বয়ান যা আমরা শুনলাম, সেইসব বর্ণনা ও ঘটনা থেকে এটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে, সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم -এর মিলাদ মোবারকের সময় জমিন ও আসমানে খুশির বন্যা বয়ে গিয়েছিল। যদিও অধিকাংশ মানুষ (Majority) তখন কুফর ও শিরকে লিপ্ত ছিল, তবুও আল্লাহ পাক মিলাদে মোস্তফা صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর আলোচনাকে সমুন্নত করেছেন।
হযরত আব্বাস رَضِیَ اللهُ عَنْہُمَا কর্তৃক পংক্তির মাধ্যমে মিলাদ পাঠ
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! মনে রাখবেন! মিলাদে মোস্তফা পালন করা, মিলাদের নামে খুশি উদযাপন করা, এই উপলক্ষে প্রিয় নবী রাসূলে আরবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর যিকিরের মাহফিল সাজানো কোনো নতুন বিষয় নয়। اَلْحَمْدُ لِلّٰه মুসলমানরা শুরু থেকেই নিজ নিজ যুগের চাহিদা অনুযায়ী এই নেক কাজটি করে আসছে। সাহাবায়ে কেরাম عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان ও যিকরে মিলাদের মাহফিল সাজিয়েছেন। বরকত হাসিলের জন্য শুধু একটি ঘটনা শুনে নিই। বর্ণিত আছে: রাসূলুল্লাহ صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم গযওয়ায়ে তাবুক থেকে ফিরে এলেন, তখন হযরত আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব رَضِیَ اللهُ عَنْہُمَا যিকরে মিলাদের উপর নিজের লেখা কিছু পংক্তি পাঠ করার অনুমতি চাইলেন, নবী করীম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم অনুমতি দিলেন, তখন তিনি তাঁর কাসীদায়ে মিলাদের পংক্তিগুলো পাঠ করলেন। তার মধ্যে কিছু পংক্তি এই:
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami