Share this link via
Personality Websites!
(১) এই সূরাটি (যেমন, সূরা ফাতিহা) পড়ার সাওয়াব বেশি (২) দ্বিতীয়ত এই সূরাটির বিষয়বস্তু অন্যান্য সূরার চেয়ে অধিক উচ্চতর। উদাহরণ স্বরূপ, সূরা লাহাবে অমুসলিম আবু লাহাবের আলোচনা এবং সূরা ইখলাসে আল্লাহর একত্ববাদের আলোচনা করা হয়েছে। এটি সাধারণ ভাবে বোঝা যায় যে, আবু লাহাবের মতো অমুসলিমের আলোচনা করা এবং আল্লাহর একত্ববাদের আলোচনা করার মধ্যে আসমান -জমিনের পার্থক্য। এমনিতে তো সূরা লাহাবও আল্লাহর বাণী, সূরা ইখলাসও আল্লাহর বাণী। এই ক্ষেত্রে উভয় সূরা সমান, কিন্তু আলোচ্য বিষয়ের দিক থেকে উভয়ের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। একই ভাবে, বিষয়বস্তুর দিক থেকে সূরা ফাতিহা পবিত্র কুরআনের অন্য সব সূরার চেয়ে শ্রেষ্ঠ।
(তাফসীরে ফাতিহা, ৩৮ পৃষ্ঠা)
সাহাবীয়ে রাসূল হযরত আবু যায়েদ رَضِیَ
اللهُ عَنْہُ বলেন: একদা রাত্রিবেলা আমি তাজেদারে রিসালাত শাহানশাহে নবুয়াত صَلَّی
اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর সাথে মদীনার একটি গলি দিয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ একটি বাড়ি থেকে আওয়াজ এলো, জনৈক সাহাবী তাহাজ্জুদের নামাযে সূরা ফাতিহা পাঠ করছেন, তা শুনে প্রিয় নবী হুযুর পূরনুর صَلَّی
اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم থেমে গেলেন এবং সূরা ফাতিহার তিলাওয়াত শুনতে লাগলেন। যখন সেই সাহাবী
رَضِیَ اللهُ عَنْہُ সূরা ফাতিহা সম্পূর্ণরূপে তিলাওয়াত করলেন, তখন আল্লাহ পাকের শেষ নবী, হুযুর পূরনূর صَلَّی
اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করলেন: مَا
فِی الْقُرْآنِ مِثْلُہَا পবিত্র কুরআনে এর মতো কোনো সূরা নেই।
(মু'জামে আওসাত, ২/১৫৮ পৃষ্ঠা, হাদীস: ২৭৬৬)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami