Share this link via
Personality Websites!
সুলতানুল মুফস্সিরীন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস رَضِیَ اللهُ عَنْہُمَا বলেন: একদিন প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم কোথাও উপবিষ্ট ছিলেন, তখন সেখানে হযরত জিব্রাঈল আমীন عَلَیْہِ السَّلَام ও উপস্থিত ছিলেন।
হঠাৎ আকাশ থেকে একটি বিকট শব্দ এলো, হযরত জিব্রাঈল আমীন عَلَیْہِ السَّلَام আকাশের দিকে চোখ তুলে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم একজন ফেরেশতা যিনি আজকের পূর্বে কখনও পৃথিবীতে আসেননি। সেই ফেরেশতা প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ’র নিকট এসে সালাম নিবেদন করলেন, তারপর বললেন: হে আল্লাহ পাকের রাসূল صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ! আপনার জন্য দুটি নূরের সুসংবাদ রয়েছে, আপনার পূর্বে কোনো নবীকে এই দুটি নূর দেয়া হয়নি: (১) তন্মধ্যে একটি হলো সূরা ফাতিহা (২) আর দ্বিতীয় নূরটি হলো সূরা বাকারার শেষ আয়াতসমূহ। যে ব্যক্তি এই দুটি অর্থাৎ সূরা ফাতিহা ও সূরা বাকারার শেষ আয়াতসমূহ তিলাওয়াত করবে তাকে প্রতিটি অক্ষরের বিনিময়ে বিশেষ সাওয়াব প্রদান করা হবে। (মুসলিম, কিতাবুস সালাত, ২৯০ পৃষ্ঠা, হাদীস ৮০৬)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! হাকিমুল উম্মত মুফতী আহমদ ইয়ার খাঁন নঈমী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন, সূরা ফাতিহা হলো একেবারে রহমতের সূরা। এ জন্য এতে আল্লাহ পাকের কহর, গযব এবং দোযখের শাস্তি ইত্যাদির আলোচনা করা হয়নি। (তাফসীরে নঈমী, ১ম পারা, সূরা ফাতিহা, ১/৬২ পৃষ্ঠা) বরং এতে এ রকম কোনো অক্ষরও আসেনি যা জাহান্নাম ইত্যাদির প্রারম্ভে আসে সুতরাং সূরা ফাতিহায় সাতটি হরফ নেই: (১) ث (২) ج (৩) خ (৪) ز (৫) ش (৬) ظ (৭) ف
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami