Share this link via
Personality Websites!
নির্দেশ। আর এই শরীয়তের বিধানটি কেবলমাত্র সাহাবায় কেরামের عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان জন্য খাস। যেহেতু প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم দুনিয়া থেকে জাহেরী পর্দা করেছেন, সুতরাং এখন আর কেউ তার উপর আমল করতে পারবে না।
سُبْحٰنَ الله! সাহাবায়ে কেরাম কেমন ভাগ্য পেয়েছিলেন...। কেমন সৌভাগ্য অর্জিত হয়েছিলো তাদের..! সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم র দীদার করতেন, সন্ধ্যা বেলায় হুযুর صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ও সুদর্শন অবয়বের দীদারের অমীয় সুধা পান করতেন। নামাযরত অবস্থায়ও নূর নবী রাসূলে আরবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم তাদেরকে আহ্বান করতেন এবং সাহাবায়ে কেরাম عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان হাত জোড় করে তার দরবারে উপস্থিত হয়ে সেবায় নিয়োজিত হয়ে যেতেন।
হায়! আর আমরা, আমাদের নসিবে এই সৌভাগ্য কোথায়?
মাগার করে কিয়া, নসিব তো ইয়ে নামুরাদী কে দিন লিখে থে
আল্লাহ পাক সমস্ত সাহাবায়ে কেরাম ও আহলে বায়ত عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان এর প্রতি কোটি কোটি রহমত অবতীর্ণ করুন।
اٰمین بِجاہِ خاتَمِْالنَّبِیّٖیْن صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
সূরা ফাতিহা সর্বোত্তম সূরা হওয়ার অর্থ
হে আশিকানে রাসূল! উল্লেখিত
দুটি হাদীস থেকে আরও জানা যায় যে, সূরা
ফাতিহা পবিত্র কুরআনের শ্রেষ্ঠতম সূরা। এখানে এ বিষয়টি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে যে,
সমগ্র কুরআনই মহান আল্লাহর বাণী, তাই
এক্ষেত্রে সমগ্র কুরআনই উত্তম। যখন বলা হয় যে অমুক-অমুক সূরা বা অমুক-অমুক আয়াত অধিক
ফযীলত পূর্ণ, তখন এর দুটি অর্থ হয়:
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami