Share this link via
Personality Websites!
নিয়ন্ত্রণে রাখে অথবা এটা বলে দিন: নিজের ভিতরের ফিরাউনকে শেষ করো সত্যিকার্থে ঐ ব্যক্তি জুলুম থেকে বাঁচতে পারবে। সমাজের মধ্যে চিন্তা করে দেখুন! যে বিনয়ি হয়ে থাকে, সে কখনো অন্যকে কষ্ট দেয় না, যদি অজান্তে কাউকে কিছু বলে বসে তাহলে দ্রুত ক্ষমা চেয়ে নেয় আর যে বিনয়ী হয়না, যে নিজে নিজেকে কিছু একটা মনে করে, সে কথায় কথায় আস্তিন তুলতে তাড়াহুড়া করে।
এজন্য যদি আমরা সত্যিকারের হোসাইনী হতে চাই তাহলে আমাদের ভিতরের ফিরাউন (অর্থাৎ নফসে আম্মারা) কে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে, বিনয়ি হতে হবে। এটাও মনে রাখুন! বিনয়ি দ্বারা এটা উদ্দেশ্য নয় যে, আমরা মানুষকে ভয় করা শুরু করে দিই, নয়, নয়, মানুষকে ভয় করা তো কাপুরুষতা, ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ কাপুরুষ ছিলেন না, ইমাম হোসাইন رَضِیَ اللهُ عَنْہُ তো পরিপূর্ণ বীর ছিলেন। বিনয়ি মানুষকে ভয় করার মাধ্যমে হয়না, বরং সত্যিকারের বিনয় তো আল্লাহ পাককে ভয় করার মাধ্যমে নসীব হয়ে থাকে।
হযরত সুলায়মান عَلَیْہِ السَّلَام হলেন আল্লাহ পাকের নবী, তাঁর দরবারী প্রসিদ্ধ পাখি: হুদহুদ। একবার হুদহুদ পাখি হযরত সুলায়মান عَلَیْہِ السَّلَام এর অনুমতি ব্যতীত কোথাও চলে গেলো, হুদহুদের এই আচরণে হযরত সুলায়মান عَلَیْہِ السَّلَام খুবই অসন্তুষ্ট হয়ে বললেন: হুদহুদ ফিরে আসে তো আমি তাকে শাস্তি দিবো। যখন হুদহুদ ফিরে আসল আর দেখল যে হযরত সুলায়মান عَلَیْہِ السَّلَام জালালিয়্যতে তখন সে বিনয় প্রদর্শন করল, নিজের
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami