Book Name:Ittiba e Shehwat Ki Tabah Kariyan
দুনিয়ার আপদ ও রং তামাশায় লিপ্ত হয়ে যায়। (আল মানবিহাত লিল আসক্বালানী, পৃষ্ঠা:৫৯)
পেটুকের উপর গুনাহের আক্রমণ
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! অত্যন্ত উদ্বেগের কথা হলো পেট ভরে খাওয়া মানুষকে গুনাহে লিপ্ত করে দেয়। যেমন; হযরত ইমাম মুহাম্মাদ গাযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: বেশী খেলে অঙ্গ প্রত্যঙ্গে ফিতনা সৃষ্টি হয়। ফ্যাসাদ সৃষ্টি করার এবং অনর্থক কাজ করার আগ্রহ তৈরি হয়। কারণ যখন মানুষ খুব পেট ভরে খায়, তখন চোখে কুদৃষ্টির আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হয়, কান খারাপ কথা শুনতে আগ্রহী হয়ে থাকে, মুখ নোংরা কথাবার্তা বলতে সম্মত হয়, লজ্জাস্থান কুপ্রবৃত্তি পূরণের প্রত্যাশা করে। পা নাজায়িয স্থানসমূহে যাওয়ার জন্য অধৈর্য হয়ে পড়ে, এর বিপরীতে যদি মানুষ ক্ষুধার্ত হয়, তাহলে সমস্ত অঙ্গ প্রত্যঙ্গ শান্তিপূর্ণ থাকবে, কোনো খারাপ কাজের লালসায় পড়বেনা, খারাপ কিছু দেখে আনন্দিত হবেনা, হযরত উস্তায আবু জাফর رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: পেট ক্ষুধার্ত হলে শরীরের অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গ শান্তিপূর্ণ থাকে, কোনো জিনিসের আকাঙ্ক্ষা করেনা, যদি পেট ভর্তি থাকে তাহলে অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ক্ষুধার্ত থাকার ফলে বিভিন্ন খারাপ কাজের দিকে প্রত্যাবর্তন করে।
(মিনহাজুল আবিদীন, ৫ম পরিচ্ছেদ, আল বাত্বানু ওয়া হিফযুহু, পৃষ্ঠা:৮৬) (ফয়যানে সুন্নাত, পৃষ্ঠা:৭০৯)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! উদরপূর্তি অর্থাৎ পেট ভরে খাওয়ার পর গুনাহ থেকে বাঁচার উপায় হলো; বান্দা ক্ষুধার চেয়ে কম খেয়ে নফসের প্রবৃত্তি নিষ্ফল করে দিবে। দাওয়াতে ইসলামীর দ্বীনি পরিবেশে এই ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয় যে, বান্দা যেন হারাম লুকমা গ্রহণ করা থেকে অবশ্যই বেঁচে থাকে। জায়িয ও