Book Name:Ittiba e Shehwat Ki Tabah Kariyan
চিন্তাভাবনা শুধু হিংসার মতো ক্ষতিকর রোগ জন্ম দেয়না, বরং এর ফলে কুপ্রবৃত্তির অনুসরণের আগুনও অন্তরে প্রজ্বলিত হয়ে উঠে। অতঃপর ব্যক্তি প্রবৃত্তি পূরণে অন্ধ হয়ে অর্থ উপার্জনের জন্য হারাম মাধ্যমও গ্রহণ করতে শুরু করে।
এর প্রতিকার হলো, ব্যক্তি অন্যের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা থেকে বিরত থাকবে। যা কিছু আল্লাহ পাক তাকে দান করেছেন এর উপর ধৈর্যধারণ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করবে। নিজের চেয়ে নিম্নস্তরের মানুষকে দেখে কৃতজ্ঞতা আদায় করবে এবং বুযুর্গানে দ্বীন رَحِمَہُمُ اللهُ الْمُبِيْن এর জীবনী অধ্যয়ন করে তাদের জীবন যাপনের পদ্ধতির ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করবে। যেন নেকী এবং ভালো কাজের প্রতি অন্তর আকর্ষিত হয়।
(৪) নিজের সংশোধনের ব্যাপারে অলসতা
নফস ও শয়তানের অনুসরণের একটি মাধ্যম হলো; নিজের সংশোধনের প্রতি মনোযোগ না দেয়া। যে ব্যক্তি নিজের জবাবদিহিতা (Self Accountability) করেনা, সে কখনো তার দোষ ত্রুটি ও গুনাহের ব্যাপারে অবগত হতে পারে না। এভাবে শয়তানের অনুকরণে লিপ্ত হয়ে গুনাহ করতে থাকে।
এমন ব্যক্তির উচিত যে, প্রতিদিন নিজের নফসের জাবাবদিহিতা (Self Accountability) করা। যাকে দাওয়াতে ইসলামীর দ্বীনী পরিবেশে নেক আমলের পর্যালোচনা করা বলে। রাতে ঘুমানোর পূর্বে এটা চিন্তা করবে যে, আজ আমি কি কি নেক আমল করেছি? এবং কি কি খারাপ কাজ এবং গুনাহ আমার দ্বারা সংঘটিত হয়েছে? গুনাহের ফলে নিজের নফসকে তিরস্কার করবে এবং ভবিষ্যতে না করার সংকল্প করবে। শায়খে তরীকত