Share this link via
Personality Websites!
ব্যক্তি সেখান থেকে চলে গেলো এরপর আর কখনো তাকে দেখা যায়নি। (উয়ুনুল হিকায়াত, পৃষ্ঠা:১৯৪)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আপনারা শুনলেন, সিলসিলায়ে আলীয়া কাদেরীয়ার মহান বুযুর্গ হযরত আবু কাসিম জুনাইদ বাগদাদী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ তাকে অন্তরের রোগ (দূর করার) কেমন চমৎকার উপায় বললেন যে, যখন তুমি নফসের প্রবৃত্তিসমূহের বিরোধতা করবে তখন অন্তরের সমস্ত রোগ তোমার থেকে দূর হয়ে যাবে এবং এই রোগ নিজেই ঔষধও হয়ে যাবে। এতে জানা যায়, কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ এবং নফসের প্রবৃত্তিসমূহ পূরণ করা কেমন ধ্বংসাত্মক রোগসমূহের অন্তর্ভুক্ত যে, এটা অন্তরকে গুনাহের আবর্জনায় পূর্ণ করে দেয়। একটু মনোযোগ দিন, এটাই কি কারণ নয় যে, আমাদের অন্তরে নেকীর কথা প্রভাব ফেলেনা এবং ইবাদতে মন বসেনা।তাই আমাদেরও এই ঘটনা থেকে শিক্ষা অর্জন করা উচিত, অনর্থক আকাঙ্ক্ষা সমূহ এবং কুপ্রবৃত্তির অনুসরণে পড়ে নিজের জীবনের আলোকিত প্রদীপ নিভিয়ে দেয়ার পরিবর্তে সুন্নাত অনুযায়ী নেকীতে ভরা জীবন অতিবাহিত করা উচিত।
প্রবৃত্তির অনুসরণের সংজ্ঞা!
মনে রাখবেন! জায়িয নাজায়িযের তোয়াক্কা না করে নফসের প্রতিটি আকাঙ্ক্ষা পূরণে লেগে পরাকে প্রবৃত্তির অনুসরণ বলা হয়। (বাতেনী বিমারিয়োঁ কি মা'লুমাত, পৃষ্ঠা:১০১) নিশ্চয়ই প্রবৃত্তির পেছনে পড়াতে শুধু ক্ষতি আর ক্ষতি রয়েছে। এর ক্ষয়ক্ষতির অনুমান এই হাদীসে পাক দ্বারাও ভালোভাবে করা যায়।
ধ্বংসকারী ৩টি বিষয়
রাসূলে আকরাম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: ৩টি বিষয় ক্ষতির মুখে ফেলে দেয়। (১) লোভ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষায় মত্ত থাকা
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami