Share this link via
Personality Websites!
হলো অটলতার সহিত নিজের আমলের প্রতি চিন্তা ভাবনা করা। যে মুসলমান এই অনন্য অভ্যাসকে আপন করে নেয় এবং প্রতিদিন নিজের আমলের মূল্যায়ন (Self Accountability) করে, তবে তার আচরণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচ্ছন্নতা সৃষ্টি হয়ে যায়, সে গুনাহের পিছু ছাড়তে থাকে, আমলের ব্যাপারে চিন্তা ভাবনা করার গুরুত্বের অনুমান এই বিষয়টি দ্বারা করা যেতে পারে যে, কুরআন ও হাদীসে রীতিমতো এর প্রতি উৎসাহও প্রদান করা হয়েছে।
২৮তম পারার সূরা হাশরের ১৮নং আয়াতে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন:
یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوا اتَّقُوا اللّٰہَ وَ لۡتَنۡظُرۡ نَفۡسٌ مَّا قَدَّمَتۡ لِغَدٍ ۚ
(পারা ২৮, সূরা হাশর, আয়াত ১৮) কানযুল ঈমানের অনুবাদ: হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় করো, এবং প্রত্যেকের দেখা উচিত যে, আগামীকালের জন্য সে কি অগ্রে প্রেরণ করেছে।
এই আয়াতে করীমায় ইরশাদ হয়েছে: নিজের আমলের মূল্যায়ন করে নাও, এর পূর্বে যে, তোমার হিসাব নেয়া হবে এবং চিন্তা ভাবনা করো যে, তুমি কিয়ামতের দিন আল্লাহ পাকের দরবারে উপস্থাপন করার জন্য নেক আমলের কতটুকু ভান্ডার জমা করেছো। (তাফসীরে ইবনে কাসীর, পারা: ২৮, আল হাশর, ১৮নং আয়াতের পাদটীকা, ৮/১০৬) তাফসীরে সীরাতুল জিনানে রয়েছে: এই আয়াত দ্বারা জানা গেলো! এক মুহূর্ত চিন্তা ভাবনা করা অসংখ্য যিকির করার চেয়ে উত্তম। নিজের আমলের ব্যাপারে চিন্তা ভাবনা করা খুবই উত্তম আমল এবং এটাই হলো মুরাকাবা। (সীরাতুল জিনান, ১০/৮৯)
হাদীসে পাকে রাসূলে পাক صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّمও অসংখ্যবার আমলের মূল্যায়নের উৎসাহ প্রদান পূর্বক ইরশাদ করেছেন।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami