Share this link via
Personality Websites!
আসুন! এ ব্যাপারে প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর কয়েকটি বাণী শ্রবণ করি।
চিন্তা ভাবনা করা সম্পর্কে প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর বাণী
১. ইরশাদ হচ্ছে: যখন তোমরা কোন কাজ করতে চাও, তবে তার পরিণতি সম্পর্কে চিন্তা ভাবনা করে নাও, যদি তা ভাল হয় তবে তা করে নাও, আর যদি তার পরিণতি (Result) ভুল হয় তবে তা থেকে বিরত থাকো। (কানযুল উম্মাল, কিতাবুল আখলাক, হরফুত তা, ৩য় অংশ, ২/৪৪, হাদীস: ৫৬৭৩)
২. ইরশাদ হচ্ছে: বুদ্ধিমানের জন্য একটি মুহুর্ত এমন হওয়া উচিৎ, যাতে সে নিজের নফসের জবাবদিহিতা করে নেয়। (শুয়াবুল ঈমান, বাবু ফি তা’দীদ নেয়মাল্লাহ..., ৪/১৬৪, হাদীস: ৪৬৭৭)
৩. ইরশাদ হচ্ছে: (আখিরাতের ব্যাপারে) মুহুর্ত পরিমাণ চিন্তা ভাবনা করা ষাট (৬০) বছরের ইবাদতের চেয়ে উত্তম।
(কানযুল উম্মাল, কিতাবুল আখলাক, আত তাকফীর, ৩য় অংশ, ২/৪৮, হাদীস: ৫৭০৭)
নফসের জবাবদিহিতা করার উপকারিতা
প্রিয়
ইসলামী
ভাইয়েরা!
আয়াতে
মুবারাকা,
এর তাফসীর
এবং প্রিয় নবী
صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর বাণী
দ্বারা জানা
গেলো! আমাদের
ধর্মে নিজের
আমলের
জবাবদিহিতা (Self Accountability) করার প্রবল
উৎসাহ দেয়া
হয়েছে, কেননা
ó নফসের
জবাবদিহিতা
করার কারণে
মানুষ গুনাহ থেকে
বাঁচতে থাকে। ó নেকী করা
সহজ হয়ে যায়।
ó
আল্লাহ পাক
এবং বান্দার
হক সমূহ আদায়
করার মানসিকতা
সৃষ্টি হয়। ó মনে
খোদাভীতি
সৃষ্টি হয়। ó মানুষের
জাহির ও
বাতিনে
সৌন্দর্য
সৃষ্টি হয়। ó মৃত্যুর
পূর্বে
মৃত্যুর
প্রস্তুতির
মানসিকতা
সৃষ্টি হয়। ó আল্লাহ
পাকের নেক
বান্দাদের
পদাঙ্ক
অনুসরণে চলার
মানসিকতা
সৃষ্টি হয়।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami