Share this link via
Personality Websites!
মহিলাদের নকল করা, বেপর্দা হওয়া, গর্ব, অহঙ্কার, হিংসা, লৌকিকতা, নিজের মনে কোন মুসলমানের প্রতি বিদ্ধেষ পোষণ করা, কোন মুসলমানের রোগ, কষ্ট বা ক্ষতিতে খুশি হওয়া, রাগ আসলে শরীয়তের সীমা অতিক্রম করা, সম্মানের আকাঙ্ক্ষা করা, কৃপণতা, স্বার্থপরতা ইত্যাদি বিষয় আমাদের সমাজে খুবই নির্বাকভাবে করা হয়। একটু ভাবুন তো! এরূপ গুনাহের পরও যদি আমরা রিযিকের অভাব ও বঞ্চনার সম্মুখীন হবো না তো কি হবো? গুনাহের এমন আধিক্যের পরও আমাদের রিযিকের দরজা বন্ধ হবে না তো কি হবে? একটি হাদীসে পাকে ইরশাদ হয়েছে: لَایَرُدُّ الْقَدْرَ اِلَّا الدُّعَاءُ অর্থাৎ দোয়ার মাধ্যমে তাকদীর পরিবর্তন হয়ে যায় وَلَا یَزِیْدُ فِی الْعُمْرِ اِلَّا الْبِرُّ আর নেকীর দ্বারা বয়স বৃদ্ধি পায়, فَاِنَّ الرَّجُلَ لَیُحْرَمُ الرِزْقَ بِالذَّنْبِ یُصِیْبُہ নিশ্চয় বান্দাকে গুনাহের কারণে ঐ রিযিক থেকে বঞ্চিত করে দেয়া হয়, যা তার নিকট আসতো। (মুস্তাদরাক, কিতাবুদ দোয়া ওয়াত তাকবীর, ২/১৬২, হাদীস ১৮৫৭)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! জানা গেলো! যদি আমরা আর্থিক উন্নতি ও বরকতের আকাঙ্ক্ষী হই, বিভিন্ন বিপদাপদ ও রিযিকের বঞ্চনা থেকে বিরত থাকতে চাই তবে আমাদের গুনাহের আপদ থেকে মুক্তি অর্জন করে নেকীর সাথে সম্পর্ক গড়তে হবে। এখনই আমরা আয়াতে করীমাও শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহ পাকের ভয়ে গুনাহ থেকে বিরত থাকে তাকে এমন স্থান থেকে রিযিক দেয়া হয়, যেখানে তার কল্পনাও করা যায় না। হে আল্লাহ পাক! আমরা যেন গুনাহ থেকে বিরত থাকি এবং আমাদের আর্থিক কষ্ট যেন দূর হয়ে যায়। اٰمِين بِجاهِ النَّبِىِّ الْاَمين صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
নফসের জবাবদিহিতা এবং কুরআন
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! এতে কোন সন্দেহ নেই যে, গুনাহ থেকে বাঁচার এবং অধিকহারে নেকী করার একটি অনন্য পদ্ধতি
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami