Share this link via
Personality Websites!
চুরি করতে পারবে না। এ থেকে এটিও জানা যায় যে, কখনো কখনো একটি বাক্যই জীবনের গতিপথ পরিবর্তন করার জন্য যথেষ্ট হয়ে যায়।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর বাগদাদ আগমন
ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ দীর্ঘদিন নিশাপুরে ইমামুল হারামাইন ইমাম জুওয়াইনী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর খেদমতে উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁর কাছ থেকে দ্বীনি ইলম অর্জন করছিলেন। যখন ইমামুল হারামাইন رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ দুনিয়া থেকে বিদায় গ্রহণ করলেন, তখন তিনি নিশাপুরকে বিদায় জানিয়ে বাগদাদ তাশরিফ নিয়ে আসলেন। বাগদাদ তখন জ্ঞানের কেন্দ্র এবং সেলজুক সাম্রাজ্যের রাজধানীও ছিল। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নিযামুল মুলক জ্ঞানপিপাসু ও নেক স্বভাবের ছিলেন, তাই প্রায়ই শাহী দরবারে ওলামায়ে কেরামের সমাবেশ হতো। ওলামায়ে কেরাম এখানে ইলমী আলোচনা করতেন, শরয়ী মাসয়ালা-মাসায়েলের সমাধান বের করতেন। কখনো কখনো কোনো মাসয়ালা নিয়ে ওলামায়ে কেরামের মধ্যে মতভেদ হলে সত্যকে স্পষ্ট করার জন্য মার্জিতভাবে মুনাযারার (বিতর্কের)ও ব্যবস্থা করা হতো। ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ যখন শাহী দরবারে তাশরিফ আনলেন, তখন প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে অনেক ওলামায়ে কেরামের সাথে তাঁর ইলমী আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তাঁর জ্ঞানের উৎকর্ষতা দেখে খুবই খুশি হলেন। সুতরাং, প্রধানমন্ত্রী ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ কে বাগদাদের বিখ্যাত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জামেয়া নিযামিয়ায় শাইখুল জামিয়া (অর্থাৎ উপাচার্য) পদ প্রদান করলেন। তখন ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর বয়স প্রায় ৩৪ বছর ছিল।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami