Share this link via
Personality Websites!
চার বছর পর্যন্ত ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ জামেয়া নিযামিয়ায় দরস ও তাদরিস (শিক্ষাদান) করলেন। ততদিনে তাঁর ইলমী শান ও শওকতের আলোচনা দূর-দূরান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল। দেশের বড় বড় ওলামা, মন্ত্রী, উপদেষ্টা তাঁর দরসে উপস্থিত হতেন এবং ইলমী পিপাসা নিবারণ করতেন। (ফয়যানে ইমাম গাযযালী, পৃষ্ঠা:১৫-২২)
ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর নির্জনবাস
আল্লাহ পাকের ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর উপর বিরাট অনুগ্রহ ছিল। আল্লাহ পাক তাঁকে শুরু থেকেই ইলমের প্রতি আগ্রহ, সত্য অনুসন্ধানের আকাঙ্ক্ষা এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের প্রেরণা দান করেছিলেন। বাগদাদ এসে ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ খ্যাতি অর্জন করেন, জ্ঞানের জগতে এক বিশাল স্থান লাভ করেন, কিন্তু হৃদয় তখনও অস্থির ছিল। সুতরাং, তিনি আরও বইপত্র অধ্যয়ন শুরু করেন। অবশেষে যখন তাসাউফের কিতাবাদি পড়েন, তখন তাঁর মন দুনিয়া থেকে বিমুখ হয়ে যায়। তিনি বুঝতে পারেন যে, আল্লাহর নৈকট্য পদমর্যাদা ও খ্যাতিতে নয়, বরং দুনিয়া থেকে মুখ ফিরিয়ে হৃদয়ের সংশোধন করার মধ্যে নিহিত। সুতরাং তিনি শান-শওকত, মান-মর্যাদা, উচ্চ পদ, খ্যাতি ও গ্রহণযোগ্যতা সব কিছু ছেড়ে দিয়ে সূফীদের পোশাক পরিধান করেন এবং মুজাহাদার জন্য সিরিয়ার দিকে রওয়ানা হন। (ফয়যানে ইমাম গাযযালী, পৃষ্ঠা:২৭)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর হিম্মত দেখুন! এমন সম্মান ও খ্যাতি, পদ-মর্যাদা, যখন বড় বড় আলেম শিষ্য হিসেবে সামনে বসে থাকতেন, মন্ত্রী-উপদেষ্টারা শ্রদ্ধা করতেন, সেই সমস্ত শান-শওকত হঠাৎ করে ছেড়ে দেওয়া সহজ কথা নয়, বরং অনেক হিম্মত ও সাহসের কাজ। আমরা
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami