Share this link via
Personality Websites!
করে, فَاِنَّہٗ لَایَدْرِیْ مَتٰی یُغْلَقُ عَلَیْہ কারণ সে জানে না যে, কখন এই দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে।
(কানযুল উম্মাল, কিতাবুল মাওয়াইয, অংশ: ১৫, খণ্ড: ৮, পৃষ্ঠা: ৩৩৪, হাদীস: ৪৩১২৭)
হে আশিকানে রাসূল! শ্বাস চলছে, এটা ভালোর দরজা। আমাদের হৃদয়ে নেকীর চিন্তা এসেছে, এটা ভালোর দরজা। আমাদেরকে নেক কাজের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে, এটা ভালোর দরজা। আমাদেরকে আলো দেখানো হয়েছে, এটা ভালোর দরজা। এখন আশঙ্কা ঝেড়ে ফেলুন, এখন অজুহাত খুঁজবেন না, বরং দ্রুত এই দরজা দিয়ে প্রবেশ করুন। দেখুন! ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর জন্য ভালোর দরজা খুলেছিল। তাঁরও সন্তান ছিল, তাঁরও ঘর ছিল, তাঁরও ব্যস্ততা ছিল, বরং তিনি আমাদের চেয়ে বেশি ব্যস্ত ছিলেন। তাঁর সম্মান ছিল, মানুষ তাঁর দিকে ধাবিত হতো, বড় বড় আলেম তাঁর কাছে ইলম শিখতেন, জামেয়া নিজামিয়ার সবচেয়ে বড় শিক্ষক ছিলেন তিনি। সময়ের বাদশাহ, সেলজুক সালতানাতের প্রধানমন্ত্রী তাঁর কাছে মিনতি করছিলেন যে, হুযুর যাবেন না! কিন্তু তিনি কোনো কিছুকে পরোয়া করেননি, হিম্মত করলেন, আল্লাহ পাকের উপর ভরসা করলেন, সবকিছু ছেড়ে দিয়ে সিরিয়ায় গিয়ে নির্জনবাসী হলেন। এরপর আল্লাহ পাক তাঁর প্রতি দয়া করলেন, তাঁর জন্য নিজের নৈকট্যের দরজা খুলে দিলেন এবং তাঁকে বেলায়েতের উচ্চ মর্যাদা দান করলেন। সিদ্দীকিয়্যত বেলায়েতের সর্বোচ্চ মর্যাদা এবং ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِও সিদ্দীকিয়্যতের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ একজন কামিল পীরের দরবারে
ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ একজন উচ্চ মর্যাদার আলেম ছিলেন। যখন তিনি তরিকতের পথে পা রাখেন, তখন এ বিষয়ে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami