Share this link via
Personality Websites!
তাঁর জ্ঞানগত শান-শওকত ও প্রতিপত্তি দেখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নিযামুল মুলক তাঁকে যাইনুদ দ্বীন ও শারফুল মিল্লাহ উপাধি প্রদান করেন। তাঁর একটি উপাধি হলো ইমামুল বাহর (অর্থাৎ জ্ঞান ও শিল্পের ইমাম)। তাঁর শিক্ষক ইমামুল হারামাইন, ইমাম জুওয়াইনী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলতেন: اَلْغَزَالِی بَحْرٌ مُغَدَّقٌ অর্থাৎ গাযযালী জ্ঞান ও ইলমের এক উত্তাল সমুদ্র। (তবকাতুশ শাফিঈয়্যাহ কুবরা, পঞ্চম তবকাহ, খণ্ড:৫, পৃষ্ঠা:১৭১) আ'লা হযরত رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ ফতোওয়ায়ে রযবীয়া শরীফে ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ কে “হাকিমুল উম্মাত” উপাধিতে স্মরণ করেছেন। (ফতোওয়ায়ে রযবীয়া, খণ্ড:৪, পৃষ্ঠা:৫২৮) ইমাম গাযাযলী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ ইসলামে আপত্তি উত্থাপনকারী বদমাযহাব ও মুসলিমদেরকে নিজের সুদৃঢ় দলিল দ্বারা নীরব করে দিতেন, এ কারণেই তাঁকে “হুজ্জাতুল ইসলাম (অর্থাৎ ইসলামের দলিল)”ও বলা হয়। তিনি অনেক হাদীস মুখস্থ রেখেছিলেন, কিন্তু ইলমে হাদীস কোনো উস্তাদের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অধ্যয়ন করেননি। জীবনের শেষ দিকে এর প্রতি আগ্রহ জন্মায়, যদিও তখন তাঁর জ্ঞানচর্চার ডঙ্কা বিশ্বে বাজছিল, বড় বড় ওলামা তাঁর থেকে উপকৃত হচ্ছিলেন, কিন্তু তখনো ইলম শেখার আগ্রহ কমেনি। সুতরাং, তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে উস্তাদের কাছে ইলমে হাদীস শিখতে শুরু করেন এবং শিখতে শিখতেই দুনিয়া থেকে বিদায় নেন। তিনি ৫৫ বছর দুনিয়ায় অবস্থান করেন। তিনি ১৪ জুমাদাল আখিরা, ৫০৫ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন। (সিয়ারু আ'লামিন নুব্বালা, খণ্ড:১৪, পৃষ্ঠা:৩৩২) ওফাতের সময় বিখ্যাত হাদীসের কিতাব বুখারী শরীফ তাঁর বুকের উপর ছিল। (আল মুনতাযাম, খণ্ড:১৭, পৃষ্ঠা:১২৭) আল্লামা ইবনে জাওযী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ সকালে ঘুম থেকে উঠে ওযু করলেন, ফজরের নামায আদায় করলেন, এরপর কাফন আনালেন, চোখের উপর রেখে বললেন: আমার রবের হুকুম
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami