Share this link via
Personality Websites!
ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর অভ্যাস ছিল যে, তিনি উস্তাদের কাছ থেকে যা শিখতেন, তা লিখে নোট আকারে সংরক্ষণ করে রাখতেন। যখন তিনি জুরজান থেকে ফিরে আসছিলেন, পথে ডাকাতরা হামলা করে। কাফেলার সমস্ত জিনিসপত্র লুট করে নেওয়া হয়। এই দুর্ঘটনায় ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর জ্ঞান সংক্রান্ত নোটগুলোও ডাকাতদের হাতে পড়ে যায়। এতে তাঁর অনেক কষ্ট হয়। সুতরাং, তিনি ডাকাতদের সরদারের কাছে গিয়ে আল্লাহর দরবারে হাজির হওয়ার দৃশ্য স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন: আমি শুধু এতটুকু চাই যে, আমার নোটগুলো ফিরিয়ে দাও। এতে তোমাদের কোনো উপকারী জিনিস নেই। এতে ডাকাত সরদার হেসে উঠলো এবং ব্যঙ্গাত্মক স্বরে বললো: তুমি ইলম বিষয়ে কিভাবে পারদর্শী হতে পারো? অথচ এই নোটগুলো কেড়ে নেওয়ার পর তুমি তো একেবারেই ফাঁকা হয়ে গেছো।
এই একটি বাক্যই ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর হৃদয়ে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। তিনি বলেন: আমি বুঝে গিয়েছিলাম যে, এই কথা ডাকাত সরদার নিজে বলেনি বরং আমার পথপ্রদর্শনের জন্য আল্লাহ পাক তার মুখ দিয়ে বলিয়েছেন। সুতরাং, আমি নোটগুলো নিয়ে নিজের দেশে পৌঁছে একটানা তিন বছর কঠোর পরিশ্রম করে নোটে লেখা সমস্ত মাসয়ালা মুখস্থ করে ফেললাম। (তাবকাতুশ শাফিঈয়্যা আল- কুবরা, পঞ্চম তবকা, খন্ড:৬, পৃষ্ঠা:১৯৫)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আপনারা শুনলেন যে, ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ শুরু থেকেই নিজের সংশোধনের দিকে কিভাবে মনোযোগী ছিলেন। তিনি ডাকাত সরদারের বাক্য শুনেও তা মন্দ মনে করেননি, এটিকে নিজের অপমান মনে করেননি; বরং তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছেন এবং ভবিষ্যতের জন্য নিজের জ্ঞান এমনভাবে সংরক্ষণ করেছেন যে, এখন কেউ তা
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami