Share this link via
Personality Websites!
এই আয়াতের উপর আমল করে আমরা কীভাবে ইবাদতগুজার হবো? এর জন্য ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ কিছু বিষয় বর্ণনা করেছেন যে, যখন এই বিষয়গুলো পাওয়া যাবে, তখনই একজন বান্দা সত্যিকার অর্থে ইবাদতগুজার হতে পারবে।
এদের মধ্যে প্রথমটি হলো; ইলম: ইবাদতগুজার সেই ব্যক্তিই হতে পারে, যার কাছে ইলম (জ্ঞান) আছে। যার জানা নেই যে, কোন বিষয়গুলো ইবাদত এবং কোন বিষয়গুলো ইবাদত নয়, সে কিভাবে ইবাদতগুজার হতে পারবে? যে নামায শেখেনি, কুরআন শেখেনি, রোযার বিধান শেখেনি, সে কিভাবে এই কাজগুলো করতে পারবে? তারপর কোন কোন বিষয় ইবাদতকে নষ্ট করে দেয়, কোন কোন বিষয় ইবাদতকে গুনাহে পরিণত করে দেয়, যে বিষয়গুলো ইবাদত নয় কিন্তু জীবন-যাপনের জন্য জরুরি, সেগুলোকে ইবাদতে কিভাবে পরিণত করতে হবে, এই সমস্ত পদ্ধতি জানা থাকলে একজন ব্যক্তি তার সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারবে এবং দুনিয়াতে থেকে দুনিয়াদার না হয়ে ইবাদতগুজার হতে পারবে। যদি ইলম না থাকে, তাহলে এসব কিভাবে সম্ভব হবে?
দ্বিতীয় জিনিস তওবা: ইলম আবার দুই প্রকার: (১) عِلْمٌ عَلَی اللِّسَان যা শুধু জিহ্বা পর্যন্ত থাকে, হৃদয়ে প্রবেশ করে না, এই ইলমের কোনো উপকারিতা নেই, এটি কিয়ামতের দিন মানুষের বিরুদ্ধে সাক্ষী দেবে। (২) দ্বিতীয় عِلْمٌ فِی الْقَلْبِ অর্থাৎ যে ইলম অন্তরের মধ্যে থাকে। (জামেউল উলুম ওয়াল হিকাম, পৃষ্ঠা:৩৫১) এটিই আসল ইলম, যখন এই ইলম অর্জিত হয় তখন বান্দা নিজের মধ্যে ডুব দেয়, সে তার গুনাহ দেখতে পায়, তার ভুল-ত্রুটি স্মরণ হয়, কবরের দৃশ্য চোখের সামনে ভেসে ওঠে, কিয়ামতের কথা মনে পড়ে, আল্লাহ পাকের দরবারে উপস্থিতির দৃশ্য মনে পড়ে, তখন
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami