Share this link via
Personality Websites!
আল্লাহ তা’য়ালা চান, তবে তাদেরকে শাস্তি দেবেন আর না হয় ক্ষমা করে দেবেন। (তিরমিযী, কিতাবুদ দা'ওয়াত, ৫/২৪৭, হাদীস: ৩৩০০)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
বয়ান শোনার নিয়্যত
প্রিয় নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেন: اَفْضَلُ الْعَمَلِ اَلنِّيَّۃُ الصَّادِقَۃُ অর্থাৎ সত্য নিয়্যত সবচেয়ে উত্তম আমল। (জামে সগীর, ৮১ পৃষ্ঠা, হাদীস: ১২৮৪)
হে আশিকানে রাসূল! প্রতিটি কাজের পূর্বে ভালো ভালো নিয়্যত করার অভ্যাস গড়ুন, কেননা ভালো নিয়্যত বান্দাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেয়। বয়ান শুনার পূর্বেও ভালো ভালো নিয়্যত করে নিন! যেমন; নিয়্যত করুন! ? ইলমে দ্বীন শেখার জন্য সম্পূর্ণ বয়ান শুনবো ? আদব সহকারে বসবো ? বয়ান চলাকালীন উদাসীনতা থেকে বেঁচে থাকবো
? নিজের সংশোধনের জন্য বয়ান শুনবো ? যা শুনবো অপরের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করবো।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
ইমাম মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মদ গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ পঞ্চম শতাব্দীর একজন প্রসিদ্ধ ও উচ্চ মর্যাদার ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি ৪৫৫ হিজরীতে খোরাসান প্রদেশের তূস জেলার ত্বাবরানে জন্মগ্রহণ করেন। (ইত্তিহাফুস সাদাহ, ভূমিকা, খণ্ড:১, পৃষ্ঠা:৯) তাঁর নাম, তাঁর বাবার নাম এবং তাঁর দাদার নামও মুহাম্মদ ছিল এবং পরদাদার নাম ছিল আহমাদ। তাঁর পুত্র ছিলেন ইমাম হামিদ গাযযালী, তিনিও একজন প্রসিদ্ধ আলেম ছিলেন। তাঁর নামেই তিনি নিজের কুন্নিয়াত (উপনাম) আবু হামিদ রেখেছেন। ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ একজন অত্যন্ত বিজ্ঞ আলেম ছিলেন। তিনি ইলমে ফিকাহ, ইলমে কালাম, দর্শন এবং তাসাউফ শাস্ত্রে পূর্ণ দক্ষতা রাখতেন।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami