Share this link via
Personality Websites!
আমার মাথার উপর। এতটুকু বলেই চেহারা কিবলার দিকে করে পা ছড়িয়ে দিলেন। লোকেরা দেখলো যে, তাঁর রূহ মুবারক বের হয়ে গেছে। তাঁর মাযার মুবারক খোরাসান জেলার তূসের “মাকাবিরে গাযযালী” নামক কবরস্থানে অবস্থিত। (আস-সিবাত ইন্দাল মামাত, পৃষ্ঠা:১৭৮)
ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ মুজাদ্দিদ ছিলেন
হাদীস শরীফে এসেছে: নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক এই উম্মতের জন্য প্রত্যেক শতাব্দীতে একজন মুজাদ্দিদ পাঠাবেন, যিনি দ্বীনকে পুনরুজ্জীবিত করবেন। (আবু দাউদ, কিতাবুল মালাহিম, পৃষ্ঠা:৬৭৪, হাদীস: ৪২৯১) ওলামায়ে কেরাম বলেন: ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ পঞ্চম হিজরী শতাব্দীর মুজাদ্দিদ ছিলেন। (ইত্তিহাফুস সাদাহ, খণ্ড:১, পৃষ্ঠা:৩৬)
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
একটি বাক্যই জীবন পাল্টে দিল
ইমাম মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর বয়স যখন ১৫ বছর ছিল, তখন তাঁর শ্রদ্ধেয় বাবা দুনিয়া থেকে বিদায় নেন। ফলে, ঘরের আর্থিক অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে। এতদসত্ত্বেও ইমাম গাযযালী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ মাদরাসার প্রতি মনোনিবেশ করেন এবং দ্বীনি ইলম শেখায় মগ্ন হন। প্রাথমিক শিক্ষা তিনি তাঁর নিজ এলাকা তূসে তাঁর বাবার বন্ধু ইমাম আহমাদ বিন মুহাম্মাদ রাযাকানী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর কাছে অর্জন করেন। এরপর জুরজান তাশরিফ নিয়ে যান এবং সেখানে ইমাম আবু নসর ইসমাঈল رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর কাছে ইলম অর্জন করেন। এরপর নিশাপুর তাশরিফ আনেন এবং কয়েক বছর ইমামুল হারামাইন ইমাম জুওয়াইনী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ এর কাছে দ্বীনি ইলম শিখতে থাকেন। (ফয়যানে ইমাম গাযযালী, পৃষ্ঠা: ১০, ১২, ১৫)
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami