Share this link via
Personality Websites!
জানাযা অতিক্রম করল, সেটির ব্যাপারে সাহাবায়ে কেরাম عَلَیْہِمُ الرِّضْوَان এর অভিব্যক্তি ভালো ছিল না। এর উপর তিনিصَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করলেন: وَجَبَتْ (তার জন্যও ওয়াজিব হয়ে গেল)। তারপর ইরশাদ করলেন: যে মৃত ব্যক্তির ব্যাপারে তোমরা ভালোর সাক্ষ্য দেবে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব। আর যার ব্যাপারে তোমরা মন্দের সাক্ষ্য দেবে, তার জন্য জাহান্নাম ওয়াজিব। أَنْتُمْ شُهَدَاءُ اللهِ فِي الْأَرْضِ (তোমরা পৃথিবীতে আল্লাহ পাকের সাক্ষী)।
(মুসলিম, পৃষ্ঠা: ৩৪১, হাদীস: ৯৪৯,)
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আল্লাহু আকবার! This is our value (এটাই আমাদের কদর, আমাদের গুরুত্ব!!) এই উম্মত কিয়ামতের দিন নবী-রাসূল عَلَیْہِمُ السَّلَام এর পক্ষে সাক্ষ্য দেবে, দুনিয়াতে এই উম্মত যার পক্ষে ভালোর সাক্ষ্য দেয়, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়। এটা কত বড় গুরুত্বের বিষয়...!! এখন আমরা একটু চিন্তা করি! আমরা কি এর যোগ্য? এই যে পদমর্যাদা উম্মতে মুসলিমাকে দেওয়া হয়েছে, আমরা কি নিজেদেরকে সেই পদের যোগ্য করে তুলছি? হায়! আফসোস!
ó পূর্ববর্তী উম্মতদের মধ্যে কী কী মন্দ কাজ ছিল? ó হযরত নূহ عَلَیْہِ السَّلَام এর কওম তাঁর সাথে কী ধরনের বেয়াদবি করত, আজ কি আমাদের মধ্যে বেয়াদবি করা হয় না? ó হযরত নূহ عَلَیْہِ السَّلَام তাদের বোঝাতেন, কিন্তু তারা কথা মানতে প্রস্তুত ছিল না, আমরা কি আমাদের নবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم এর নির্দেশাবলী পালন করি? ó হযরত হুদ عَلَیْہِ السَّلَام এর কওম ছিল অবাধ্য, আজ কি আমাদের এখানে পূর্ণ নির্লজ্জতার সাথে গুনাহ করা হয় না? ó হযরত সালেহ عَلَیْہِ السَّلَام এর কওম নিজেদের শক্তি, দক্ষতা এবং বড় বড় অট্টালিকার উপর গর্ব করত, অহংকারের বিপদে লিপ্ত
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami