Share this link via
Personality Websites!
তাফসীরে সিরাতুল জিনানে উল্লেখ আছে: গণনাকৃত দিন বলতে আইয়ামে তাশরীককে বোঝানো হয়েছে এবং আল্লাহর যিকির বলতে নামাযের পর এবং হজ্জের সময় রমী জামারাতের সময় তাকবীর বলাকে বোঝানো হয়েছে। (তাফসীর সিরাতুল জিনান, পারা: ২, আয়াত: ২০৩, খণ্ড: ১, পৃ:৩২১)
তাকবীরে তাশরীক কখন থেকে কখন পর্যন্ত পড়া যাবে!
মনে রাখবেন! নামের দিক থেকে ১১ই যিলহজ থেকে ১৩ই যিলহজ পর্যন্ত (অর্থাৎ ৩ দিন) আইয়ামে তাশরীক নামে পরিচিত, কিন্তু তাকবীরে তাশরীক পড়ার যে হুকুম, তা ৯ই যিলহজের ফজর থেকে ১৩ই যিলহজের আসর পর্যন্ত। ‘বাহারে শরীয়ত’-এ আছে: ৯ই যিলহজের ফজর থেকে ১৩ই যিলহজের আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরয নামায যা জামায়াতের সাথে আদায় করা হয়েছে, তার পর একবার উচ্চস্বরে তাকবীর বলা ওয়াজিব এবং ৩ বার তাকবীর বলা উত্তম। একে তাকবীরে তাশরীক বলে। তাকবীরে তাশরীক এই:
اَللهُ اَکْبَرُ اَللهُ اَکْبَرُ لَآ اِلٰہَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَکْبَرُ اَللهُ اَ کْبَرُ وَلِلّٰہِ الْحَمْد۔
* তাকবীরে তাশরীক সালামের সাথে সাথেই পড়া ওয়াজিব। * আর যে মাসবূক, অর্থাৎ যে জামায়াতে দেরিতে শরীক হয়েছে এবং তার কয়েকটি রাকাত ছুটে গেছে, তার জন্য হুকুম হলো, সে তার বাকি রাকাতগুলো পড়ে যখন সালাম ফিরাবে, তখন তাকবীর বলবে। তার উপরও তাকবীর বলা ওয়াজিব। (বাহারে শরীয়ত, খণ্ড:১, পৃ:৭৮৪, পৃ:৪)
মুফাসসিরে কুরআন, হাকীমুল উম্মত মুফতী আহমদ ইয়ার খান নঈমী رَحْمَۃُ اللهِ عَلَیْہِ বলেন: তাকবীরে তাশরীক হযরত ইবরাহীম عَلَیْہِ السَّلَام, হযরত ইসমাঈল عَلَیْہِ السَّلَام এবং হযরত জিবরাঈল عَلَیْہِ السَّلَام-এর কালামসমূহের সমষ্টি। যে সময় হযরত ইবরাহীম عَلَیْہِ السَّلَام হযরত ইসমাঈল عَلَیْہِ السَّلَام-কে কুরবানী করার জন্য তাঁর গলায় ছুরি রেখেছিলেন, তখন আল্লাহ পাক হযরত জিবরাঈল عَلَیْہِ السَّلَام-কে জান্নাতী দুম্বা নিয়ে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেন। হযরত জিবরাঈল আমীন عَلَیْہِ السَّلَام দুম্বা নিয়ে আসার সময় উঁচু স্থান থেকেই এভাবে পড়লেন: اَللهُ اَکْبَرُ اَللهُ اَکْبَرُ। এই আওয়াজ শুনে হযরত ইবরাহীম عَلَیْہِ السَّلَام তাঁর দৃষ্টি মোবারক উঠালেন, দেখলেন; হযরত জিবরাঈল আমীন عَلَیْہِ السَّلَام জান্নাতী দুম্বা
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami