Share this link via
Personality Websites!
দ্বীনি কাজের মধ্যে একটি হলো: কাফেলা। * বিশ্বজুড়ে দ্বীনের বার্তা প্রচারের জন্য লক্ষ লক্ষ আশিকানে রাসূল মাদানী কাফেলার আকারে দেশ-দেশান্তরে, শহর-শহরে, গ্রামে-গ্রামে যান এবং নেকীর দাওয়াত প্রচার করেন। * কাফেলার বরকতে অনেক অমুসলিম কালিমা পড়ে মুসলমান হয়েছেন। * লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে নেকীর বসন্ত এসেছে। * اَلْحَمْدُ لِلّٰه ৩ দিন, ১২ দিন, ১ মাস এবং ১২ মাসের কাফেলা সফর করতে থাকে। আপনিও কাফেলায় সফর করুন! اِنْ شَآءَ الله অনেক বরকত মিলবে।
صَلُّوْا عَلَی الْحَبِیْب! صَلَّی اللهُ عَلٰی مُحَمَّد
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! আসুন, কুরবানীর সুন্নত ও আদবসমূহ শোনার সৌভাগ্য অর্জন করি। ফরমানে মুস্তফা صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم: "মানুষ বকরা ঈদের দিনে এমন কোনো নেক কাজ করে না যা আল্লাহ পাকের নিকট রক্ত প্রবাহিত করার চেয়ে বেশি প্রিয়। এই কুরবানী কিয়ামতের দিন তার শিং, লোম এবং খুরসহ উপস্থিত হবে এবং কুরবানীর রক্ত জমিনে পড়ার আগেই আল্লাহর নিকট কবুল হয়ে যায়। সুতরাং, প্রসন্নচিত্তে কুরবানী করো।" (তিরমিযী, ৩/১৬২, হাদীস: ১৪৯৮) * কুরবানীর পশুকে ফেলার আগেই কিবলার দিক নির্ধারণ করে নেওয়া উচিত। শোয়ানোর পর, বিশেষ করে পাথুরে জমিতে হেঁচড়ে কিবলার দিকে ফেরানো বোবা প্রাণীর জন্য চরম কষ্টের কারণ। * যবেহ করার সময় এমনভাবে কাটবেন না যেন ছুরি ঘাড়ের মেরুদণ্ডের হাড় পর্যন্ত পৌঁছে যায়, কারণ এটি অহেতুক কষ্ট দেওয়া। * যতক্ষণ না পশু সম্পূর্ণরূপে ঠান্ডা হয়, ততক্ষণ তার পা কাটবেন না, চামড়াও ছাড়াবেন না। যবেহ করার পর যতক্ষণ না রুহ বের হয়ে যায়, ততক্ষণ কাটা গলায় ছুরি স্পর্শ (TOUCH) করবেন না, হাতও লাগাবেন না। কিছু কসাই তাড়াতাড়ি "ঠান্ডা" করার জন্য যবেহর পর ছটফট করতে থাকা গরুর ঘাড়ের জীবন্ত চামড়া ছিঁড়ে ছুরি ঢুকিয়ে হৃদপিণ্ডের রগ কেটে দেয়। একইভাবে বকরী যবেহ করার সাথে সাথেই বেচারার ঘাড় মটকে দেয়। বোবা প্রাণীদের উপর এ ধরনের অত্যাচার করা উচিত নয়।
কুরবানির অবশিষ্ট সুন্নাত ও আদব তরবিয়্যতী হালকায় বয়ান করা হবে অতএব এগুলো জানতে তরবিয়্যতী হালকায় অবশ্যই অংশগ্রহণ করুন।
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami