Share this link via
Personality Websites!
ভ্রাতুষ্পুত্র। তিনি বলেন: আল্লাহ পাকের সর্বশেষ নবী, রাসূল হাশেমী, মক্কী মাদানী, মুহাম্মাদে আরাবী صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم ইরশাদ করেছেন: اِنَّ اللَّهَ كَتَبَ الْاِحْسَانَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ অর্থাৎ, নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক প্রতিটি বিষয়ে ইহসান (সদাচরণ) করার নির্দেশ দিয়েছেন। আরও বলেছেন: اِذَا ذَبَحْتُمْ فَاَحْسِنُوا الذِّبْحَ অর্থাৎ, যখন তোমরা যবেহ করবে, তখনও ইহসান ও কল্যাণকে বিবেচনায় রেখো! وَ لْيُحِدَّ اَحَدُكُمْ شَفْرَتَهٗ وَلْيُرِحْ ذَبِيحَتَهٗ অর্থাৎ, তোমাদের প্রত্যেকের উচিত ছুরি ধারালো করে নেওয়া এবং নিজের যবেহকৃত পশুকে (অর্থাৎ প্রাণীকে) আরাম পৌঁছানো!
(মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, খণ্ড: ৪, পৃ: ৩৭৬, হাদীস: ৭৬৩৫)
সকল সৃষ্টির প্রতি দয়ার্দ্র হওয়ার বিবরণ:
প্রিয় ইসলামী ভাইয়েরা! এটি একটি অত্যন্ত চমৎকার হাদীস শরীফ। এতে আমাদের প্রিয় আকা ও মাওলা, মক্কী মাদানী মুস্তফা صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم প্রথমে একটি মূলনীতি বর্ণনা করেছেন যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক প্রতিটি বস্তুর প্রতি ইহসান করার নির্দেশ দিয়েছেন। সুতরাং, যে কোনো বস্তুই হোক না কেন - মানুষ, পশু, ফল, ফুল, চারাগাছ - বান্দার উচিত তাদের সাথে সদ্ভাবে (Kindness) আচরণ করা, প্রত্যেকের সাথে তার অবস্থা অনুযায়ী অনুগ্রহপূর্ণ ব্যবহার করা।
রহমতে আলম صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم-এর রহমতের একটি দিক!
উলামায়ে কেরাম বলেন: আল্লাহ পাক আমাদের আকা ও মাওলা, মক্কী মাদানী মুস্তফা صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم-কে رَحْمَۃٌ لِّلْعَالَمِیْن (অর্থাৎ সকল জাহানের জন্য রহমত) করে পাঠিয়েছেন। এটাও রাসূল صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم-এর অসীম রহমতেরই একটি দিক যে, তিনি প্রতিটি বিষয়ে অনুগ্রহ ও কল্যাণের নির্দেশ দিয়েছেন। এমনকি শরয়ী হুকুম বর্ণনা করতে গিয়ে পশু যবেহ করার নির্দেশ তো দিয়েছেন, কুরবানীর প্রতি উৎসাহিত তো করেছেন, তার সাথে সাথে পশুর প্রতি কল্যাণ করারও নির্দেশ জারি করেছেন।
যখন ছাগল রাসূল صَلَّی اللهُ عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم-এর দরবারে উপস্থিত হলো:
একবার এক কসাই তার বকরীর খোঁয়াড়ে পৌঁছাল, দরজা খুলল এবং যবেহ করার জন্য একটি বকরীকে ধরতে চাইছিল, এমন সময় সেটি তার হাত থেকে ছুটে পালিয়ে
BOOK TOPIC
©Copyright 2026 by I.T. Department of Dawat-e-Islami